‘বালিশ দুর্নীতি’ : প্রত্যাহার মাসুদুল আলম

২২ মে, ২০১৯   |   thepeoplesnews24

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক:

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রিন সিটি প্রকল্পের আসবাবপত্র কেনা-তোলা নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে প্রত্যাহার হলেন নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম।

মঙ্গলবার (২২ মে) তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে বুধবার (২২ মে) গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাহাদাত হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

মো. সাহাদাত হোসেন বলেন, গতকাল মঙ্গলবার গ্রিন সিটি প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৗশলী মাসুদুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রিন সিটি প্রকল্পে অনিয়ম ক্ষতিয়ে দেখতে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দুটি কাজ করছে।

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত ভবনে আসবাবপত্র কেনা ও তা ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ নিয়ে সারা দেশে তোলপার শুরু হয়।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ওই ভবনের জন্য এক হাজার ৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে। এদের প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর সেই প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে ভবনের ওপরে তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা!

জানা গেছে, এই প্রকল্পের আওতায় মূল প্রকল্প এলাকার বাইরে হচ্ছে গ্রিন সিটি আবাসন পল্লী। সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রেটির কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য ১১টি ২০ তলা ও ৮টি ১৬ তলা ভবন করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ২০ তলা ৮টি ভবন ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এই ৯টি ভবনে তৈরি হয়েছে ৯৬৬টি ফ্ল্যাট। সেই ৯৬৬টি ফ্ল্যাটের জন্য আসবাবপত্র কিনেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে ২০ তলা একটি ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে ওঠাতে সব মিলে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা।

ওই ১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য কেনা টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ কেনা হয়েছে। সেসব আসবাবের ক্রয়মূল্য ও সেগুলোকে ফ্ল্যাটে তুলতে অস্বাভাবিক ব্যয় দেখানো হয়েছে।

এ ঘটনায় ১৯ মে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে বিশেষ তদন্ত দল টিম পাঠানোর কথা বলেছে। এ ব্যাপারে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই প্রত্যাহার হলেন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম।






নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯
ফজর ৪:২৬
জোহর ১১:৫৬
আসর ৪:৪১
মাগরিব ৬:০৯
ইশা ৭:২০
সূর্যাস্ত : ৬:০৯সূর্যোদয় : ৫:৪৩