ইসিতে পদোন্নতির হিড়িক

১৮ মে, ২০১৯   |   thepeoplesnews24

সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন ইসিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতির হিড়িক লেগেছে। পদ ফাঁকা না থাকলেও দেওয়া হচ্ছে পদোন্নতি। ফলে ঢালাওভাবে পদোন্নতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পদোন্নতি হবে এটা স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু ইসিতে গেল কয়েক মাসে পদোন্নতির হিড়িক লেগেছে। সর্বশেষ নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের ১০৫ কর্মকর্তাকে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে সান্তনার পদোন্নতি দেওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। এসব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হলেও পদগুলোর একটি চেয়ারও খালি নেই। ফলে খোদ পদোন্নতি পাওয়া অনেক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জানা গেছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর কয়েক দফায় বিভিন্ন পদে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ৫ মে ইসি সচিবালয়ে ১০৫ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তাদের বেশিরভাগই বর্তমানে বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতির ফলে তাদের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কিংবা ইসি সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু পদ ফাঁকা না থাকায় তাদের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত পদেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পদন্নোতি পাওয়া একজন ইসি কর্মকর্তা জানান, এ রকম পদন্নোতি আমরা চাইনি। পদ ফাঁকা হলে সিরিয়াল মোতাবেক পদন্নোতি দিত সেটা ভালো হতো। ঢালাওভাবে একবারে এতজনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পদ ফাঁকা না থাকায় কেউ পদ অনুযায়ী দায়িত্ব পাচ্ছেন না।

পদোন্নতির আদেশে বলা হয়, এ আদেশের কারণে তিনি জ্যেষ্ঠতা পাবেন না এবং সরকারি প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ আদেশ বাতিল করা যাবে। বিধি অনুযায়ী কর্ম সময়ের জন্য কার্যভার ভাতা ব্যতীত অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য হবেন না। চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বর্তমান দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন, প্রয়োজনে তাকে বর্তমান পদে বদলি করা যাবে।

সূত্র জানায়, এ আদেশের পরে একজনকেও কোথাও পদায়ন করা হয়নি। কারণ পদায়নের জায়গা ফাঁকা নেই। এ পদে পদ সৃষ্টি হলে এখান থেকে পদায়ন করা হবে।

এক কর্মকর্তা জানান, এখন পদোন্নতিপ্রাপ্তরা আগামী দশ বছরেও পদ পাবেন কিনা, সেটি অনিশ্চিত।

এসব বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ইসি সচিবালয়ে কর্মকর্তাদের বাইরের ক্যাডার সার্ভিসের মতো পদায়নের সুযোগ নেই। ফলে তাদের লিমিটেড স্কোপে থাকতে হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে একই পদে চাকরি করে আসছেন। স্বাভাবিকভাবে এ পর্যন্ত যতগুলো শূন্য পদ আছে, প্রত্যেকটি শূন্য পদ প্রমোশনের মাধ্যমে পদায়ন করেছেন। একই ব্যাচের অন্য কর্মকর্তারাও কিন্তু একই পদে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। সুতরাং কমিশন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রমোশন দিয়েছেন।






নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯
ফজর ৪:২৬
জোহর ১১:৫৬
আসর ৪:৪১
মাগরিব ৬:০৯
ইশা ৭:২০
সূর্যাস্ত : ৬:০৯সূর্যোদয় : ৫:৪৩