সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের বর্ণিল মঙ্গল শোভাযাত্রা

১৪ এপ্রিল, ২০১৯   |   thepeoplesnews24

ছবি নিজস্ব

এম এ মালেক:

অমিত শক্তি ও সম্ভাবনার আকার সূর্য। আকাশে মেঘ আসে,দিনের পরে নামে রাত।


তারপরেও প্রতিদিন নতুন একটি সূর্য ওঠে, জানায় তার অসীম সম্ভাবনা আর টিকে থাকার প্রত্যয়ের কথা।

আলোকিত সূর্যের প্রত্যয় নিয়ে রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ টি.এম সোহেল এর নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জ ২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নার অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে ১৪২৬ বঙ্গাব্দের মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এবারের শোভাযাত্রার প্রাণের বাণী,‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’। সূর্যকে সামনে রেখে লালনের এই বাণীতে ধ্বনিত হয় শোভাযাত্রা। নাচে গানে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গন থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষেন করে কলেজ মাঠে এসে শেষ হয় এই মঙ্গল শোভাযাত্রা।

বর্ণিল এই শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের হাতে হাতে ছোট ছোট পেঁচা, বাঘের মুখের প্রতিকৃতি। মাঝে মাঝেই উঁকি দিচ্ছে বিশাল মাথার রাজা রাণী।

এক এক জন রাজা রানী নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে ভিড়ের মাঝেও অনন্য। লোকে লোকারণ্য এ আনন্দ মিছিলের মাঝে মাঝেই আছে বিশাকার সব প্রতিকৃতি। লোক সংস্কৃতির মাটির টেপা পুতুলের অবয়ে তৈরী হয়েছে হাতি,ঘোড়া,বিশাল একটি পুতুল,মাছ সামনে নিয়ে মাছরাঙা,রাগী একটি ষাঁড়। এদের সবাইকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিশাল একটি সূর্য।

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ যেন,সূর্যের মতো ঘুরে দাঁড়িয়েছে মানুষের ভজনায়। মঙ্গল শোভাযাত্রা তার জন্মলগ্ন থেকে এভাবেই সরবে জানিয়ে যাচ্ছে জেগে উঠার কথা,জ্বলে উঠার কথা।

পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অন্যতম এই অনুষ্ঠান মঙ্গল শোভাযাত্রার শুরু আশির দশকে। তখন বাংলাদেশে স্বৈরাচারী সামরিক শাসন চলছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের শিল্পীরা বিভিন্ন প্রতিকৃতি,মুখোশ,বিশাল সব ভাস্কর্য নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছিলেন স্বৈরাচারী শাসনের বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের ঐক্য এবং একইসঙ্গে শান্তির বিজয় ও অপশক্তির অবসান কামনায়। ১৯৮৯ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম ছিল আনন্দ মিছিল। শুরুতেই এ মিছিল নজর কাড়ে সকলের।






নামাজের সময়সূচি

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
ফজর ৪:২৬
জোহর ১১:৫৬
আসর ৪:৪১
মাগরিব ৬:০৯
ইশা ৭:২০
সূর্যাস্ত : ৬:০৯সূর্যোদয় : ৫:৪৩