1. admin@thepeoplesnews24.com : admin :
  2. shohel.jugantor@gmail.com : alamin hosen : alamin hosen
বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে কাজিপুরে মানববন্ধন নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রবর্তনে এবি পার্টির গোল টেবিল আলোচনা জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করতে হাইকোর্টের রুল বেলকুচিতে ভোট শেষে ভবনের পিছনে পাওয়া গেলো সিল মারা ব্যালট ও রেজাল্ট সিট সাবেক যুবলীগ নেতা খলিলুল্লাহ আজাদ মিল্টনের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় কমিউনিটি ক্লিনিকে সপ্তাহে ২দিনে ১হাজার জনসাধারণ পাচ্ছেন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে জাতি গর্বিত সন্তানকে হারালো : বাংলাদেশ ন্যাপ গণতন্ত্রের জন্য গণমাধ্যম অনস্বীকার্য : স্পিকার কাল থেকে পলিথিনমুক্ত হচ্ছে চট্টগ্রামের তিন কাঁচাবাজার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৭ বাড়িতে টাঙানো হবে লাল পতাকা

হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে


দিনাজপুরের খানসামাসহ বিভিন্ন উপজেলার দেশী মাছের আশ্রয় ও বংশ বিস্তারের অন্যতম আধার নদীর-নালা ও খাল অবৈধ জালের দখলে। এতে নিধন হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মা মাছসহ সব ধরনের মাছ। ফলে পুঁটি, কৈ, মাগুর, শিং, টেংরা, ডারকা, মলা, ঢেলা, শৌল, বোয়াল, আইড়, চিংড়ি, চেং, টাকি, গতা, পোয়া, বালিয়াসহ প্রভৃতি দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

মাঝে মাঝে অভিযান দেখা যায়। যদিও পর্যাপ্ত নয়।
দেখা যায়, খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি, ভেড়ভেড়ী, আঙ্গারপাড়া, খামারপাড়া, ভাবকি ও গোয়ালডিহি ইউপির বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীর নালা ও খালে মাছ মারার ফাঁদ বসিয়েছে কতিপয় মাছ শিকারি। যারা খড়া, বানা, দারকি, জোলেঙ্গা জাতীয় মাছ ধরার স্থায়ী ব্যবস্থা করে নিয়মিত ধরছে দেশীয় প্রজাতির মাছ।

ঘন ঘন এসব স্থাপনের কারণে ওইসব জলাধারগুলোর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ যেমন ব্যাহত হয়, তেমনি দেশীয় মাছসহ অন্যান্য উপকারী জলচর প্রাণীর বংশ বিস্তার ও বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাধাহীনভাবে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধন অব্যাহত থাকায় আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে এসব স্থানের মাছের উৎপাদন।

আলোকঝাড়ি, খামারপাড়া ও ভাবকি ইউপির পাশ দিয়ে প্রবাহিত আত্রাই নদী এবং আঙ্গারপাড়া ও গোয়ালডিহি ইউপির পাশ দিয়ে ইছামতি নদী এবং ভেড়ভেড়ী, আঙ্গারপাড়া ও গোয়ালডিহি ইউপিতে বেলান নদী ও তার আশে পাশে ছোট বড় নদীর নালা ও খালগুলোতে শতাধিক অবৈধ কারেন্ট জাল ও দারকি বসানো হয়েছে। এ কারণে জাল বসানোর স্থানে খাল ও নালায় বানা লাগিয়ে মাছের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ফলে প্রবাহমান খাল ও নালা ছোট ছোট আবদ্ধ ডোবায় পরিণত হয়েছে।
ভেড়ভেড়ী থেকে গোয়ালডিহি পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিরোধ করায় বেলান নদীতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে না পারায় আশপাশের ফসলের ক্ষেত জলমগ্ন থাকায় ক্ষতিও হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ঘটছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দেশী মাছের আস্তানা।

কয়েকজন মৎস্য চাষি জানায়, মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষণাবেক্ষণ বা জলাশয়গুলোর স্বাভাবিক প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মৎস্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগই নেই।

অবৈধ জালে খাল বিল ছেয়ে গেলেও কোনো প্রকার পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে দেশি মাছের চাহিদা অনেক। দামও অনেক বেশি। তাই এসব মাছ চাষ করার প্রতি মাছ চাষিদের আগ্রহ থাকতে হবে।

খানসামা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রতন বর্মন জানান, অবৈধ জাল ব্যবহার এমনিতেই অপরাধ। তার ওপর প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা দেশী মাছের উৎপাদনের ক্ষেত্রগুলোতে এসব স্থায়ীভাবে বসানো গুরুতর বেআইনি কাজ। এবছর বিভিন্ন হাটে-বাজারে ও জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করে প্রায় শতাধিক কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে সকলকে সচেতন হতে হবে। নতুবা দিনদিন এই মাছগুলো হারিয়ে যাবে।

দয়া করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
©২০১৫ ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized BY Limon Kabir