শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তাড়াশে পুজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপির মৃত্যুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকনের শোক নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক হারাল বাংলাদেশ : রাষ্ট্রপতি ২৩ জেলা বন্যাকবলিত হতে পারে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন মারা গেছেন ছাত্রলীগ নেতা নিহত ও সংঘর্ষ: জেলা আ’লীগ কার্যালয় ও দলীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা মোংলায় সহকারি কমিশনার ভূমিসহ ৮ জনের করোনা শনাক্ত খাগড়াছড়িতে নতুন আরো ১৩ জনসহ মোট করোনা আক্রান্ত ৩১৬ জন গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে ৫ জন আক্রান্ত তাড়াশ হাসপাতালে পিপিই,ফেস শিল্ড, ও মাস্ক প্রদান

জাবালে নূরের ৩ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি, মালিক-হেলপার খালাস

Reporter Name
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৩৮ জন দেখেছেন

অনলাইন ডেস্ক:
জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় শিক্ষার্থী রাজীব-দিয়া নিহতের ঘটনার মামলায় চালকসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর দিকে দোষ প্রমাণ না হওয়ায় বাসটির মালিক ও এক হেলপার এ মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

রবিবার (১ ডিসেম্বর) বিকাল সোয়া তিনটার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ এ রায় দেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— দুই চালক মাসুম বিল্লাহ, জুবায়ের সুমন ও হেলপার কাজী আসাদ (পলাতক)। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন— মালিক জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার এনায়েত।

নিহত আব্দদুল করিম রাজীব (১৭) শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। নিহত দিয়া খানম মিম (১৬) একই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

এ রায়ের আগে আসামিপক্ষের আইনজীবী টি এম আসাদুল হক বলেছিলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ৩০৪/৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন এবং সর্বনিম্ন শাস্তি ১০ বছরের জেল। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। আশা করছি, আসামিরা খালাস পাবেন।

গত ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ ১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। এ মামলায় ৪১ সাক্ষীর মধ্যে ৩৭ জন সাক্ষ্য দেন।

ঘটনার দিনই নিহত দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।

২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম অভিযোগপত্র জমা দেন। ২৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘটনার দিন দুপুরে চালক ও তাদের সহকারীরা বেশি লোক ওঠানোর লোভে যাত্রীদের কথা না শুনে এবং তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে জিল্লুর রহমান উড়াল সড়কের ঢালের সামনে রাস্তা ব্লক করে দাঁড়ান। এ সময় আরেকটি বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৪-১৫ শিক্ষার্থীর ওপর গাড়িটি উঠিয়ে দেন। ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন নয়জন।

জাবালে নূরের যে তিন বাসের রেষারেষিতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলোর নিবন্ধন নম্বর হলো- ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭, ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৭৬৫৭ এবং ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৭৫৮০। এর মধ্যে ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭ নম্বর বাসের চাপায় নিহত হয় দুই শিক্ষার্থী। বাসটি চালাচ্ছিলেন মাসুম বিল্লাহ।

ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৭৬৫৭ নম্বর বাসের চালক ছিলেন জুবায়ের এবং ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৭৫৮০ নম্বর বাসের চালক ছিলেন সোহাগ। মামলায় আসামি করা হয় ছয়জনকে। তাদের মধ্যে জাবালে নূর পরিবহনের মালিক জাহাঙ্গীর আলম, দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের এবং তাদের সহকারী এনায়েত হোসেন কারাগারে। জাবালে নূর পরিবহনের আরেক মালিক শাহাদাত হোসেন জামিনে রয়েছেন। তার পক্ষে মামলা উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। চালকের সহকারী কাজী আসাদ এখনো পলাতক।

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আর নিউজ দেখুন
© All rights reserved 2015- 2020 thepeoplesnews24

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রনালয়ের নিয়ম মেনে নিবন্ধনের আবেদন কৃত।

Design & Developed By: Limon Kabir
freelancerzone