শনিবার, ১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, রাত ৯:৪৪
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ নভেম্বর, ২৩, ২০১৯, ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ
  • 35 বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:
সারাদেশে পেঁয়াজ, চাল ও লবণের পর এবার ময়দার দাম বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ময়দার দাম বেড়েছে ১০ টাকা। ১৩৫০ থেকে ১৪০০ টাকায় বিক্রি হওয়া ময়দার বস্তা এখন ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকায় ঠেকেছে। বসুন্ধরা ও এসিআই সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ার পর এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। তাদের অনুমান, জানুয়ারি মাসের আগে ময়দার কাঁচামাল উন্নতমানের গম পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ সময়ের মধ্যে ময়দার দাম আরো অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা। ময়দার পাশাপাশি তেল, চিনি, ডিম ও ডালডার দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম দুরবস্থায় পড়েছেন বেকারি খাতের উদ্যোক্তারা।

বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রেতা-বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, ৫ মণ বলে বিক্রি হওয়া ১৮০ কেজি ভোজ্যতেলের ড্রামের দাম এত দিন ছিল ১০ হাজার থেকে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। কয়েক দিন ধরে দুই থেকে তিন হাজার টাকা বাড়িয়ে পাইকারি বিক্রেতারা এক ড্রাম তেল বিক্রি করছেন ১৩ হাজার টাকা দরে। এ সময়ে ১৬ কেজির প্রতি কার্টুন ডালডার দাম বেড়েছে অন্তত ২০০ টাকা। ১০৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এখন বিক্রি করা হচ্ছে ১২৫০ টাকায়। ৫০ কেজি ওজনের এক বস্তা চিনির দাম এত দিন ছিল ২১৫০ থেকে ২২০০ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ২৭৫০ টাকা দরে। এ হিসাবে পাইকারি বাজারেই প্রতি কেজি চিনি ১১ থেকে ১২ টাকা, প্রতি কেজি ডালডা ১৫ থেকে ১৬ টাকা, প্রতি লিটার পামঅয়েল ১৬ থেকে ১৭ টাকা এবং প্রতি কেজি ময়দার দাম ১০ টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে খুচরায় বেড়েছে আরও বেশি হারে।

এ দিকে কার্গো বিমানে পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় পাইকারি বাজারে পণ্যটির দাম প্রতিদিন কমছে। কিন্তু রাজধানীর খুচরা বাজারে এর প্রভাব তেমন পড়ছে না। মনিটরিং না থাকায় খুচরা ব্যবসায়ীরা থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার এবং পাড়ার দোকানগুলোতে গতকালও দেশী পেঁয়াজ ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর মিসর, তুরস্ক ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে। কাওরান বাজারে গতকাল দেশী পেঁয়াজ ১৫০ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১৪০ টাকা ও মিসরের পেঁয়াজ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে খুচরা বাজারে দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা কেজি দরে। বেশি দামে কেনা হয়েছে বলে লোকসান দিতে নারাজ খুচরা বিক্রেতারা।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন