বৃহস্পতিবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, দুপুর ১২:৪৯
নোটিশঃ
দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ৪০ মেঃ টন বন্ড চোরাই সূতা জব্দ সলঙ্গার দাদপুর-সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরণে ৭হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ সিংড়ায় নব বিবাহিত যুবক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ ফুলপুরে পলিথিনে আর হবেনা পরিবেশ দূষণ সেই সাথে ভূমি নষ্ট, পলিথিন হবে এখন আয়ের উৎস মাহবুবুর রহমানকে বিতর্কিত করতে নতুন কৌশলে বিএনপি, মিষ্টি বিতরণ! আরো ১১টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অপেক্ষায়: তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়নের পরিপূরক গণপদত্যাগের শঙ্কায় বিএনপি, ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী! রুমিনের পর এবার বিতর্কিত বিএনপির এমপি হারুন!
সংবাদ শিরোনামঃ
দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ৪০ মেঃ টন বন্ড চোরাই সূতা জব্দ সলঙ্গার দাদপুর-সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরণে ৭হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ সিংড়ায় নব বিবাহিত যুবক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ ফুলপুরে পলিথিনে আর হবেনা পরিবেশ দূষণ সেই সাথে ভূমি নষ্ট, পলিথিন হবে এখন আয়ের উৎস মাহবুবুর রহমানকে বিতর্কিত করতে নতুন কৌশলে বিএনপি, মিষ্টি বিতরণ! আরো ১১টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অপেক্ষায়: তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়নের পরিপূরক গণপদত্যাগের শঙ্কায় বিএনপি, ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী! রুমিনের পর এবার বিতর্কিত বিএনপির এমপি হারুন!
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ সেপ্টেম্বর, ২১, ২০১৯, ২:৫১ অপরাহ্ণ
  • 102 বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেষ হয়েছে সরকারী ভাবে ধান সংগ্রহ। কিন্তু কৃষক নিজে ধান বিক্রি করতে না পারায় সরকারের ধান সংগ্রহের লক্ষ্য উদ্দেশ্যে বাস্তবায়িত হয়নি। রয়ে গেছে কৃষকের মনে ক্ষত। কাগজ, কলম, স্বাক্ষর ও টিপ সহিতে ধান সংগ্রহে শতভাগ সফলতা দেখানো হয়েছে।

তদন্ত করলেই বেড়িয়ে পড়বে এই শতভাগ সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে থাকা শুভংকরের ফাঁকির চিত্র। ১ম দিকে ধানের স্লিপ ও কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ধান নিয়ে গুদামে আসলে ময়লা, চিটা, শুকনা কম হওয়ার বিভিন্ন অযুহাতে প্রত্যেক ইউনিয়নে কিছু কিছু কৃষককে ফেরৎ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খাদ্য গুদাম ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারার আগে থেকে দালালদের মাঠে নামিয়ে রেখেছিল। একারণে হতাশ হয়ে ধান নিয়ে বাড়ি ফিরে যান স্থানীয় অনেক কৃষক। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্যান্য কৃষক আর ধান নিয়ে খাদ্য গুদামে আসেন না। যে কারণে কপাল খুলে যায় খাদ্য গুদামের কর্মকর্তাদের। এরপর দালালদের দেয়া মনোনীত লোকদের কাছ থেকেই ধান ক্রয়ের ব্যাবস্থা করা হয়। ধান সংগ্রহ হয় ২ হাজার টন, সবই যে দালাল এবং ভুয়া কৃষক কার্ডে নেয়া হয়েছে তা নয়, ৩/৪শত কৃষক সঠিক ভাবে ধান সরবরাহ করতে পেরেছে এমন তথ্য সংশি¬ষ্টদের।
খাদ্য গুদামের চলাচল ও সংরক্ষন কর্মকর্তা (এসএমও) শফিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে এবছর ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রতি টনে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহন করে ৪০/৫০ লক্ষ টাকা আয় বহির্ভূতভাবে পকেটস্থ করেছে খাদ্য গুদামের এই কর্মকর্তা এমন হিসেব গুদাম সংশ্লিষ্টদের। সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ সরকারি খাদ্য গুদামে ২৫ মে. টন ধান গুদামে উঠেছে কিন্তু কাগজ কলমে ১৫০ মেট্রিক টন ধানের বিল করা হয়েছে। ৩ টি কৃষি কার্ডের মধ্যে ২ টি কৃষি কার্ডে ভূয়া বানানো যা কৃষি পরিচিতি বা কৃষকগণের সাথে মিল নেই। এমনকি প্রতি কৃষকের কাছ থেকে বস্তায় ২ কেজি করে ধান বেশী নেওয়া হয়। যার ফলে ৫০ মে.টন ধান বেশী হয় যার মূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা এবং প্রতি টন ধানে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা উৎকোচ হিসেবে প্রায় ৪০/৫০ লক্ষ আত্মসাৎ করেন ঐ কর্মকর্তা।

সিরাজগঞ্জ খাদ্য গুদামের চলাচল ও সংরক্ষণ কর্মকর্তার দয়িত্ব অবহেলা ও অনিয়মের কারণে সরকারের সুফল পায়নি প্রান্তিক কৃষক। এনিয়ে একদিকে কৃষকের ক্ষোভ অন্যদিকে সরকারের সুনাম নষ্ট করা হয়েছে এমন কথাই বলছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষকেরা।

ধান সংগ্রহে অভিযোগ তুলে প্রতি বস্তায় ২ কেজি করে বেশি নিয়েছেন। কৃষক এ দু’কেজি বেশি দিতে না চাইলে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন ভেজা ধান। একারণে ২ কেজি করে বেশি দিলেও উদ্বৃত্ত ধান খাদ্য গুদামের এসএমও নিজেই আত্মসাৎ করেছেন বলে কানাঘুষা চলছে। ২হাজার মে:টন ধান সংগ্রহ করা হলেও ৩ থেকে ৪’শ মে:টন ধান প্রকৃত কৃষকদের নিকট থেকে ক্রয় করা হয়েছে যার প্রমান ব্যাংকের সংরক্ষিত কৃষকের স্বাক্ষর মেলালে ধরা পড়ে যাবে ঐ এসএমও। কৃষকের কৃষি কার্ডের বিপরীতে বরাদ্দ স্লিপ প্রদানের দায়িত্বও (এসএমও) চলাচল ও সংরক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম তালুকদারের। একারণে খাদ্য গুদামের সাথে সংশ্লিষ্ট কালো বাজারী কতিপয় ব্যবসায়ীকে খাদ্য গুদামের স্থায়ী দালালের মাধ্যমে এ ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। ধান সংগ্রহ করে ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা লুটপাট করা হয়েছে এমন আলোচনা খাদ্য বিভাগের ঠিকাদারদের মুখে মুখে।

এসএমও শফিকুল ইসলাম অনেক ব্যবসায়ীর নিকট থেকে আগাম উৎকোচ গ্রহণ করে শর্ত মোতাবেক কাজ না করায় অনেক ব্যবসায়ী রাগে দুঃখে খাদ্য বিভাগের ব্যবসা করতে গিয়ে দেউলিয়া হবার উপক্রম হয়েছে। একটি সূত্র জানায়, ২৫-৩০ টনের কাজের বিল লেবার সর্দারকে প্রদান করা হয়েছে অথচ তার বিপরীতে খাদ্যগুদামে দেড়শত টন সরবরাহ নেবার বিল দেখানো হয়েছে। এখবর প্রকাশ হওয়ায় লেবার সর্দার আর এসএমও’র মধ্যে বাকবিতন্ডা হলে নাম করা এক লেবার সর্দারকে ৫০ হাজার টাকা নগদ দিয়ে এসএমও রেহাই পেয়েছেন বলে লেবারদের মধ্যে কানাঘুষা চলছে।

সিরাজগঞ্জ খাদ্য গুদামে পরিবহন ঠিকাদারদেও সাথে চলাচল ও সংরক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম তালুকদারের প্রায়শই বাক-বিতন্ডা হয়। নির্ধারিত ঠিকাদাররা খাদ্য গুদামে মালমাল পরিবহন করে নিয়ে আসলে সরবরাহ নেওয়ার পর মাল কম দেখানো হয়। গত ১৮ ই সেপ্টেম্বর একজন পরিবহন ঠিকাদারের ২০০ বস্তার মধ্য থেকে ২৫, অপর এক ঠিকাদারের ২৪ বস্তা মাল কম দেখানো নিয়ে খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার ও এসএমও শফিকুল ইসলাম তালুকদারের মধ্যে ঝগড়া বাধে। এত গুদামের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়।

এবছর খাদ্য গুদামে ২হাজার মে. টন ধান সংগ্রহে রয়েছে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক নিউ মার্কেট শাখা ও এলাকার শাখা ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করে অনুসন্ধান করলে ধান ক্রয়ের অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পাবে বলে জনসাধারণের ও ভূক্তভোগীরা মনে করছেন।

খাদ্য গুদামের চলাচল ও সংরক্ষন কর্মকর্তা (এসএমও) শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আমাদের কাছ থেকে বিল নিয়ে যাওয়ার পরে ব্যাংকে কি ঘটেছে তা আমার জানা থাকার কথা না। প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকেই ধান নেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার মোহাম্মদ রায়হান বলেন, ধান সংগ্রহে অনিয়মের লিখিত কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। কৃষক কার্ড ভূয়া দেখিয়ে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে কিনা অভিযোগ আসলে তদন্ত করা হবে।

এব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহবুবুর রহমান, ধান সংগ্রহকালীন এরকম একটি লিখিত অভিযোাগ আমার কাছে আসলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার মোহাম্মদ রায়হানের মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন