আজ ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সেদিন প্রকাশ্যে কেউ কাঁদতে পারছিল না

নিউজ টি নিচের যেকোন মাধ্যমে শেয়ার করুন



সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে তার প্রতি জানাই অসীম শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি আমাদের জন্য শুধু অম্লান হয়ে আছে তা-ই নয়, তিনি আমাদের হৃদয়ের সত্তায় স্থান করে নিয়েছেন। তিনি সবসময় যেন আমাদের অন্তরেই আছেন। আমাদের জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, এই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায়, আমাদের জাতির আত্মসম্মান বোধ ফিরিয়ে দিতে এবং এই জাতিকে অগ্রগতির পথে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন।


তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ বক্তা, অত্যন্ত মেধাবী রাজনীতিবিদ ((poet of politics) এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক, যাকে একনামে বিশ^বাসী চিনত। বিশ্ব পরিমন্ডলে বাংলাদেশের পরিচয় ছিল শেখ মুজিবুরের দেশ হিসেবে। ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে দেওয়া বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শুধু আমাদের কাছে কেন, সারা বিশ্বে আজও বাঙালি জাতির পরিচয়। বঙ্গবন্ধুর পরিচয়ে বাংলাদেশের পরিচয়। যেখানে মানুষ এখনো জিজ্ঞাসা করে তোমরা কীভাবে তোমাদের জাতির পিতাকে হত্যা করলে? এ কথা তো বিশ্বের যেকোনো জায়গায় জানে। আলজেরিয়া যান, কিউবা যান, রাশিয়া যান, পূর্ব ইউরোপের যেকোনো জায়গায় যান। আজকে বঙ্গবন্ধুর স্থান জর্জ ওয়াশিংটন যেমন জাতির পিতা আমেরিকায়, মহাত্মা গান্ধী যেমন ভারতের, সুকর্ণ যেমন ইন্দোনেশিয়ার, হো চি মিন যেমন ভিয়েতনামের, নেলসন ম্যান্ডেলা যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তেমনি বাংলাদেশের। তবে বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশেরই নন, সারা পৃথিবীর একজন অনন্য নেতা, একজন বরেণ্য নেতা, তার প্রতি সম্মান দেখানো, তাকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা মানে আমরা নিজেরাই মহিমান্বিত হই, আমরাই তাতে বড় হই।

তাকে যতভাবে আমরা দেখব, যত তার জীবন পর্যালোচনা করব, তার কীর্তি যত আলোচনা করব, তার রেখে যাওয়া স্মৃতি আমরা যত আলোচনা করব, ততই আমরা জানতে পারব। তাকে জানা মানেই বাঙালি জাতিকে জানা, ইতিহাসকে জানা, বাঙালি জাতির ঐতিহ্যকে জানা। কারণ এগুলোই তিনি লালন করেছেন সারা জীবন, এগুলো নিয়েই তিনি কাজ করেছেন এবং এরই ফলে বাঙালি জাতির এই জন্মভূমি, স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টি।
১৪ আগস্ট প্রায় রাত ১১টার সময় আমি ৩২ নম্বরে আজকের বঙ্গবন্ধু ভবনে তার সঙ্গে দেখা করে এসেছিলাম। কেননা, পরদিন ১৫ আগস্ট সকাল বেলা তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার কথা ছিল।
সেজন্য ছিল চারদিকে সাজ সাজ রব, কীভাবে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হবে, তার নিরাপত্তার কী ব্যবস্থা হবে ইত্যাদি। কিন্তু তখন কেউ চিন্তাই করতে পারেনি যে আমাদের মধ্যে এ ঘরের শত্রু বিভীষণরা তার প্রতি তাদের রাইফেল তাক করে আছে। লক্ষ্য করে আছে তার হৃদয়ের দিকে এবং কেমন করে তাকে এই পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। অবশ্য ১৪ আগস্টের আগেও মাঝেমধ্যে শোনা যেত নানা রকম গুঞ্জন; শোনা যেত যে বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা বোধহয় বিঘ্নিত হচ্ছে, যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না ইত্যাদি। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই সময়টা এবং তার আগেও দেখেছি বিভিন্ন সময় যখনই নিরাপত্তার কথা উঠত বঙ্গবন্ধু এমনভাবে কথা বলতেন, তার ধারণা ছিল এবং অত্যন্ত সবলভাবেই বলতেন সে কথা আমাদেরকে যে ‘কোনো খাঁটি বাঙালি কখনই আমাকে হত্যা করতে পারে না’।


কথাটি কিন্তু তিনি ঠিকই বলেছিলেন। কোনো বাঙালি তো তাকে হত্যা করেনি। কোনো বাঙালি তার বুকের দিকে তার রাইফেল কিংবা মেশিনগান তাক করেনি। যারা তাকে হত্যা করেছে সেই হত্যাকারীরা, সেই মার্ডারারগুলো, সেই নরকীটগুলো তারা সবই ছিল বিদেশের চর, সব পাকিস্তানি এবং অন্য বিভিন্ন দেশের চর। এরা তো বাঙালি নয়, তাদের ভাষায় তারা বাংলাদেশিও নয়, তারা মুক্তিযুদ্ধের শত্রু, বাঙালির শত্রু, বাংলাদেশের শত্রু।
১৫ আগস্ট সকালে এই জঘন্য হত্যাকা-ের ঘটনা শোনার পরপরই আমি প্রথমে টেলিফোন করলাম সৈয়দ নজরুল ইসলাম সাহেবকে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ধরলেন এবং বললেন ‘তওফিক’ আমিও শুনেছি, এই ঘটনা তো মনে হয় সত্য। এখন কী করা যায়। আমি বললাম আপনি নির্দেশ দিন, আপনি তো উপরাষ্ট্রপতি। তিনি বললেন আমি চিন্তা করে দেখি। তার পরেই আমি তাজউদ্দীন আহমদ সাহেবকে টেলিফোন করলাম, তারপর মনছুর আলী সাহেবকে, কামারুজ্জামান সাহেবকে। এদের সবার সঙ্গেই কথা বলি। এরা সবাই একেবারে যেমন স্তম্ভিত তেমনি হতভম্ব হয়ে গেছেন এবং প্রত্যেকের কণ্ঠে কান্নার সুর, কান্নার স্বরের মতোই কেউ প্রকাশ্যে কাঁদতে পারছে না অথচ বুক ফেটে কান্না চলে আসছে। চোখে পানি আসতে গিয়েও পানি আটকে যাচ্ছে। এমন একটি অবস্থা এরকম কষ্টের মধ্যে থাকতে থাকতেই বিভিন্ন জায়গা থেকে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করলাম। মোটামুটি জানা গেল যে, এরাই করেছে এবং তখন নামগুলোও জানতে পারলাম। এর কিছুক্ষণ পর আমার কেমন ভেতর থেকে মনে হচ্ছিল এরা হয়তো আমাদের অন্যদেরও হত্যা করবে কারণ তারা তো জানে আমরা বঙ্গবন্ধুকে কতখানি কত কাছের এবং কে কী করতাম।


এছাড়াও ওই সময়টাতে, বাংলাদেশে আজকে যে ৬৪টি জেলা, এই জেলা বঙ্গবন্ধু প্রথম সৃষ্টি করেছিলেন, তিনি প্রত্যেকটি সাব-ডিভিশনকে একটি করে জেলা ঘোষণা করে প্রত্যেকটি জেলার জন্য একজন করে জেলা গভর্নর নিয়োগ করেছিলেন। ১৩ আগস্ট থেকে জেলা গভর্নরদের প্রশিক্ষণ চলছিল। আগের রাত্রে আমি প্রশিক্ষণেও গিয়েছিলাম বেইলি রোডে, এখনকার যে ডিএফপি সেখানে অনেকগুলো অফিস ছিল। সেখানে আমাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলছিল। এসব কাজকর্মের মধ্যে এত ব্যস্ত ছিলাম যে, কখনো অন্যদিকে তাকানোর সময় হয়নি।


১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকা- বাংলাদেশকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্রুত ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধুকে নৃশংস হত্যার পূর্বে বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুনর্গঠিত ও পুনর্বাসিত হয়ে অতি দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছিল। কৃষি এবং ভৌত অবকাঠামো ছিল সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত। নিহত, আহত ও পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবার, কয়েক লাখ লাঞ্ছিত মা-বোন সবাই তাকিয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর দিকে। তিনি তাদের নিরাশ করেননি। খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, কৃষি পুনর্বাসন, শিক্ষা প্রতিটি ক্ষেত্রে দৃষ্টি দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের যথাসাধ্য উন্নতি সাধন করেছিলেন।


চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরসহ দেশের বড় বড় ব্রিজ, জাহাজ, রেলওয়ে এবং প্রধান সড়কসমূহ পুনর্নির্মাণ করে যোগাযোগব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এসব উন্নয়ন পরিকল্পিতভাবে করার জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩-৭৮ প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। এ পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল দ্বিমুখী : পুনর্বাসন এবং বিনিয়োগ; যাতে দ্রুত দারিদ্র্য নিরসন করা যায়। অর্থনৈতিক কর্মকা- দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কৃষিক্ষেত্রে সব উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে পুনর্গঠন করেন এবং সেই সঙ্গে কয়েকটি নতুন প্রতিষ্ঠানও স্থাপন করেন। পাশাপাশি শিক্ষার দিকে দৃষ্টি দিয়ে প্রথমে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন এবং পরে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। ১৯৭৫-এ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৭.০০ শতাংশে পৌঁছতে পেরেছিল। যা তারপর জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ছাড়া আর কোনো সরকার পারেননি। ’৭৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথে যাত্রা শুরু করেছিল। পরে পাকিস্তানপন্থি সরকারগুলো (খন্দকার মোশতাক, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া) অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতিতে পরিণত করে। কতিপয় ব্যক্তিকে রাষ্ট্র সহায়তা করে একটি নব্য ধনী গোষ্ঠী সৃষ্টি করা হয় এবং রাজনীতিতে সুযোগসন্ধানী-সুবিধাবাদীদের আমদানি করা হয়। রাজনৈতিক দিক থেকে এটিই ছিল সবচাইতে কালো অধ্যায়। বাংলাদেশকে সবাই চিনত সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে। রাজনীতি ছিল হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের।


১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের মতো ঘটনা আরেক কলঙ্কজনক অধ্যায় বাংলাদেশের ইতিহাসে যুক্ত হলো ৩রা নভেম্বর, ওই একই বছরে। সেদিন কারাগারে আটক, যেখানে মানুষকে সবসময় নিরাপত্তা প্রদান করা হয়, সেই নিরাপদ আশ্রয়ে, সরকারের হেফাজতে ছিলেন যে চার জাতীয় নেতা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, আমাদের রাষ্ট্রের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, প্রথম অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং আরেক মন্ত্রী কামারুজ্জামান সাহেব, যারা বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন, সেই চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয় অত্যন্ত নির্মমভাবে। আমার মনে আছে, এখনো খুবই স্পষ্ট, বঙ্গবন্ধু শহীদ হওয়ার কয়েক দিন পরেই আমাদের সবাকেই গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, নাজিমউদ্দিন রোডে, সেইখানে আমরা ছিলাম। আমরা বলছি এই জন্য যে, আমাদের তখনকার সরকারের প্রায় প্রধান চরিত্র যারা, অর্থাৎ খলনায়ক নন যারা, ওই ঘাতক দলের বাইরে যারা, সরকারের পক্ষে, অর্থাৎ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পক্ষে এবং বাংলাদেশের সত্যিকারের সন্তান যারা, তাদের ষড়যন্ত্রকারীরা গ্রেপ্তার করে নিয়ে গিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, আমি সবচেয়ে বেশিদিন কারাগারে ছিলাম (প্রায় দুই বছর)। পরবর্তী সময়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা অনেক হয়েছে, হয়রানি হয়েছে।


বাংলাদেশের মানুষের বিরাট সৌভাগ্য যে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তার দুই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা তার অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। জনগণের বিশাল দাবির মুখে ১৯৮১ সালে তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর জননেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশের জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে স্বাধীনতার পক্ষের সব শক্তিকে একত্রিত করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুদীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আবারও আসীন হয়। শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কর্মযজ্ঞ। পরবর্তী সময়ে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ‘দিন বদলের সনদ’কে সামনে রেখে জনগণের রায় নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় আসে। শুরু হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ। বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমাদের প্রিয় নেত্রী, দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিপুল জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে যে, তিনি বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আধুনিক, উন্নত, গণতান্ত্রিক ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তুলবেন।
‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’

লেখক :
এইচ টি ইমাম
বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আর নিউজ দেখুন