শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিবাদ-সমাবেশ প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে ধর্ষণ,ধর্ষক গ্রেফতার সাদুল্লাপুরে অতিরিক্ত দামে আলু বিক্রির দায়ে ৪ ব্যবসায়ির জরিমানা আদায় রায়গঞ্জে খাস জমি দখল করে রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ২২ বছর পর ছয়জনের যাবজ্জীবন, ছয়জন খালাস চরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ দূর্দশা লাঘবে চর উন্নয়ন বোর্ড করা দরকার —ডেপুটি স্পীকার মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থা ও বিশ্বস্ত লড়াকু নৈতিক- এস,এম কামাল কাজিপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৬৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ধ্বংস মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থা ও বিশ্বস্ত লড়াকু নৈতিক- এস,এম কামাল নওগাঁয় ভিক্ষুকদের মাঝে লভ্যাংশের নগদ অর্থ বিতরন

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় পাঁচ জনের মৃত্যুদণ্ড

রবিন তালুকদার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯৫ জন দেখেছেন


টাঙ্গাইলে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরনের পর গণধর্ষনের ঘটনার মামলার পাঁচ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ আদেশ দেন। এছাড়াও দণ্ডিতদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

দণ্ডিত ব্যক্তিরা হচ্ছেন, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সুনিল চন্দ্র শীলের ছেলে সাগর চন্দ্র শীল, দিগেন চন্দ্র শীলের ছেলে গোপি চন্দ্র শীল, চারালজানি গ্রামের বাদল চন্দ্র মনিঋষির ছেলে সঞ্জিত চন্দ্র মনিঋষি, সুনিল মনিঋষির ছেলে সুজন মনিঋষি এবং মনিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে রাজন চন্দ্র।

দণ্ডিত সঞ্জিত চন্দ্র মনিঋষি ও গোপি চন্দ্র শীল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষনার পর তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অন্য তিন আসামী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি একেএম নাছিমুল আক্তার নাছিম জানান, ২০১২ সালে দণ্ডিত সাগর শীলের সাথে ভূঞাপুরের মাদ্রাসা ছাত্রীর মুঠোফোনে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই বছর ১৫ জানুয়ারি সাগর ভূঞাপুর এসে ওই ছাত্রীকে কৌশলে মধুপুরে নিয়ে যায়। মধুপুরের চারালজানি গ্রামে দণ্ডিত রাজনদের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ওই ছাত্রীকে সাগরের সাথে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু বিয়েতে রাজি না হওয়ায় সাগর তাকে ধর্ষন করে। পরে সেখানে আটকে রাখে। ১৭ জানুয়ারি রাতে মধুপুরে বংশাই নদীর তীরে নিয়ে পাঁচজন পালাক্রমে ধর্ষন করে ফেলে রেখে যায়। পরদিন (১৮ জানুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা মেয়েটিকে উদ্ধার করে। পরে তার অভিভাবকরা এসে বাড়ি নিয়ে যায়। ওইদিনই (১৮ জানুয়ারি) ওই ছাত্রী নিজে বাদি হয়ে দণ্ডি পাঁচজনকে আসামী করে ভূঞাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যতান দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের দিনই পুলিশ আসামী সুজনকে গ্রেপ্তার করে। সুজন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে অন্যান্য আসামীরাও গ্রেপ্তার হয়।

তদন্ত শেষে ভূঞাপুর থানার পুলিশ দণ্ডিত পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করার পর ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলার বাদিকে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার পক্ষ থেকে আইনগত সহায়তা দেয়া হয় বলে জানান, সংস্থাটির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী আতাউর রহমান আজাদ। তিনি জানান, রায়ে তারা সন্তুষ্ট। ন্যায্য বিচার তারা পেয়েছেন।

অপরদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা মিয়া জানান, রায়ে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেননি। এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আর নিউজ দেখুন
© All rights reserved 2015- 2020 thepeoplesnews24

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রনালয়ের নিয়ম মেনে নিবন্ধনের আবেদন কৃত।

Design & Developed By: Limon Kabir
freelancerzone