সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে অস্থির পেঁয়াজের বাজার, দাম বাড়ছে হু হু করে

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৫ জন দেখেছেন



ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে এমন ঘোষণা আসতে না আসতেই অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের বাজার। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক রাতের ব্যবধানে কুড়িগ্রামের আড়তগুলোতে দেশি পিঁয়াজ কেজিতে ৬০ টাকা বেড়েছে এই নিত্যপণ্যের দাম। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে।

আর ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত। প্রতিকেজির পাইকারি দাম পড়ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। শুধু যে দাম বাড়তি দামের কারণেই পাইকারকরা নাকাল তা নয়, অনেক আড়তদার আবার এরইমধ্যে বিক্রিও বন্ধ করে দিয়েছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিপরীতে যোগান ঠিক রাখতে ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরপর থেকেই দেশের বাজারে হুহু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম।

কুড়িগ্রামের জিয়া বাজারের পাইকারি আড়তগুলো পেঁয়াজে ভরপুর থাকলেও সময় যত যাচ্ছে, বাড়ছে দাম।

এদিকে, দাম বাড়তে শুরু করায় ক্রেতাদের মধ্যেও বেড়েছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কেনার প্রবণতা। পাইকারি ক্রেতাদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির করার অপচেষ্টা করছেন আড়তদাররা। দাম বাড়া নিয়ে অজুহাতের শেষ নেই বিক্রেতাদের।

কুড়িগ্রাম জিয়া বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা জানান, কোন কোন আড়ত মালিক তাদের জানিয়েছেন মাল বিক্রি করা হবে না।

যে পেঁয়াজ গতকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালেও ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে কিনেছেন আজ সকাল এসে শোনেন সেই মানের পেঁয়াজের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। প্রতিটি আড়তই পেঁয়াজে ভরপুর।

আর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর এক রাতেই দেশের বাজারে আগে আসা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫০-৫৫ টাকা কি করে বেড়ে যায় এই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

তবে, আড়তে কর্মরত অনেকের দাবি, আগে এলসি করা পেঁয়াজও ভারত সরবরাহ করবে না। এমন সিদ্ধান্তে তো দাম তো বাড়বেই।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতিবছর উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। এরমধ্যে সংরক্ষণ দুর্বলতায় পচে যায় ৩০ শতাংশ যা প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মেট্রিক টন।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গেল বছর থেকে শিক্ষা নিয়ে আগে থেকেই পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিল সরকারের।

তারা আরো বলেন , ভারত যখন পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিবে তখনই দেশের বাজারে দাম বাড়বে, এটা যৌক্তিক নয়। এখানে একটা কারসাজি হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। তাই নিত্যপণ্যের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আগেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা বা সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যাপারে তৎপর হওয়ার তাগিদ তার।

গেল বছরও সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর বাড়তে বাড়তে দেশের বাজারে এক কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রায় তিনশো টাকায়।

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আর নিউজ দেখুন
© All rights reserved 2015- 2020 thepeoplesnews24

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রনালয়ের নিয়ম মেনে নিবন্ধনের আবেদন কৃত।

Design & Developed By: Limon Kabir
freelancerzone