শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২০ ইং, সকাল ৯:৪৬
সর্বশেষ :
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষ রোপনে উৎসাহিত করছেন মাহাবুব পলাশ গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে ৬ জন আক্রান্ত পলাশবাড়ীতে উপজেলা পর্যায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা-সচেতনতা শীর্ষক প্রেসব্রিফিং ও সেমিনার ফুলছড়িতে সরিষা ফসলের কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত কাজিপুরে এস.এস.সি ফলাফলে শীর্ষস্থান অধিকারী মিম প্রকৌশলী হতে চায় মোহাম্মদ নাসিমের রোগমুক্তি কামনায় কাজিপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউপি পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল “জননেতা মোহাম্মদ নাসিম সুস্থ হয়ে খুব শীঘ্রই আমাদের মাঝে ফিরতে পারেন, মহান আল্লাহর দরবারে এই প্রার্থনা” করোনায় বিপাকে ইন্দুরকানীর ক্যাবল অপরারেটররা ইন্দুরকানীতে ছাত্রলীগের এক গ্রুপের হামলায় অপর গ্রুপের ১০ জন আহত সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়ন পরিষদে চার মাস হেঁটেও পায়নি জন্ম নিবন্ধন সনদ !
সংবাদ শিরোনামঃ
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষ রোপনে উৎসাহিত করছেন মাহাবুব পলাশ গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে ৬ জন আক্রান্ত পলাশবাড়ীতে উপজেলা পর্যায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা-সচেতনতা শীর্ষক প্রেসব্রিফিং ও সেমিনার ফুলছড়িতে সরিষা ফসলের কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত কাজিপুরে এস.এস.সি ফলাফলে শীর্ষস্থান অধিকারী মিম প্রকৌশলী হতে চায় মোহাম্মদ নাসিমের রোগমুক্তি কামনায় কাজিপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউপি পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল “জননেতা মোহাম্মদ নাসিম সুস্থ হয়ে খুব শীঘ্রই আমাদের মাঝে ফিরতে পারেন, মহান আল্লাহর দরবারে এই প্রার্থনা” করোনায় বিপাকে ইন্দুরকানীর ক্যাবল অপরারেটররা ইন্দুরকানীতে ছাত্রলীগের এক গ্রুপের হামলায় অপর গ্রুপের ১০ জন আহত সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়ন পরিষদে চার মাস হেঁটেও পায়নি জন্ম নিবন্ধন সনদ !
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ মে, ১৯, ২০২০, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
  • 92 বার দেখা হয়েছে



-বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন-

প্রথম অভিজ্ঞতাঃ
১৯৭১ সালে ১৬ ই ডিসেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলার জনগণ পাকিস্তানি স্বৈরাচারী শাসক ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ করে পৃথিবীর মানচিত্র বাংলাদেশ নামে একটি দেশের জন্ম দেয়।১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি বাঙালির প্রাণপ্রিয় নেতা জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেন এবং দেশবাসীকে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানালেন। বাঙালি তাতে সাড়া দিলেন কিন্তু দেশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি ও কিছু রাজনৈতিক উচ্চবিলাসীরা নানা ভাবে তাঁর গঠনমূলক কর্মসূচিকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করতে শুরু করেন এবং বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের নামে একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সমস্ত ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বাংলার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক দেশ পুনর্গঠনে আন্তরিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।১৯৭৪ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসাবে বাঙালী জাতির জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ বন্যা । আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুঁজি করে আন্তর্জাতিক ও দেশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা স্বাধীনতার বিরোধী, অতি উৎসাহী বিপ্লবীরা একত্রিত হয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের মধ্যে দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি করেন এবং সরকার পতনের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।

সেই ষড়যন্ত্রের নীল নকসা অনুযায়ী স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট রাতের অন্ধকারে জাতির পিতা সহ তাঁর পরিবারের সকল সদস্য কে নির্মমভাবে হত্যা করেন । পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা এর রহমতে জাতির পিতার দুই সুযোগ্য কন্যা দেশে না থাকার কারণে প্রাণে বেঁচে যান। সেদিন তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা সামরিক শাসনের নামে শুরু করে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনকে নিধন করতে মরিয়া হয়ে উঠে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল গুম, হত্যা, গৃহবন্দী এবং অনেককেই জীবন বাঁচাতে ছাড়তে হয়েছিল তাঁদের প্রিয় মাতৃভূমি। এই নির্যাতন ও অত্যাচার থেকে আমিও রক্ষা পায়নি ।

আমি বিভিন্ন সূত্রে জানতে পারলাম সাবেক মন্ত্রী বর্তমান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য নাসিম ভাই সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ভারতের কলকাতায় গিয়ে এই হত্যার প্রতিবাদ করার লক্ষ্যে সংঘবদ্ধ হচ্ছেন। আমি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে কলকাতায় চলে যাই এবং নাসিম ভাই সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হই। সেখানে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে ৬ মাস থাকার পর নেতৃবৃন্দের পরামর্শক্রমে আবার দেশের মধ্যে ফিরে আসি এবং সামরিক বাহিনী কর্র্তক গ্রেফতার এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে যাই। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ১৯৭৬ সালের ১১ ই আগস্ট সকাল দশটায় দিকে তৎকালীন সামরিক সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী কর্তৃক ঢাকার নবাবপুর রোডের একটি অফিস থেকে আমি গ্রেপ্তার হই। গ্রেফতার হওয়ার পর আমাকে গোয়েন্দা বাহিনীর লোকেরা তৎকালীন গুলিস্থান বাসস্ট্যান্ডে তাদের রাখা গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে কাছে আসার পর আমাকে মাস্ক না পড়িয়ে কালো কাপড়ের পট্টি মেরে দিয়ে চোখ বেঁধে ঢাকা সেনানিবাসে তাদের নির্যাতন বা ইন্টারোগেশন সেলে নিয়ে যায় । সেই নির্জন সেলে আমাকে আড়াইটি মাস একাকীত্ব জীবনযাপন ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। নির্যাতনের অংশ হিসাবে ছিল কালো পট্টিতে চোখে বেঁধে ঝুলন্ত অবস্থায় আঘাত এমনকি পুরুষ লিঙ্গের সঙ্গে ইট বেধে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। সেখানে আমি আড়াই মাস দুনিয়ার আলো থেকে বঞ্চিত ছিলাম।তাপরপর চোখে কালো পট্টি বেঁধে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার নিয়ে আসা হয়। এখানেই পরিসমাপ্তি ঘটে আমার প্রথম লকডাউনের অভিজ্ঞতা। কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবার পর সেখানে আমি সাবেক মন্ত্রী মরহুম শেখ আব্দুল আজিজ, মরহুম মোমিন তালুকদার, আওয়ামী লীগ নেতা আমু ভাই, মরহুম গাজী গোলাম মোস্তফা, পল্টু ভাই, মায়াভাই, পাহাড়ি ভাই, এসপি মাহবুব ভাই সহ শতাধিক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দের সংস্পর্শে এসে আমি ফিরে পেলাম নতুন জীবন। এইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগারে আমার প্রথম লকডাউন আড়াই বছর কেটে গেল।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৭,৫৬৩
সুস্থ
১২,১৬১
মৃত্যু
৭৮১

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬,৬৯৮,৬১৫
সুস্থ
৩,২৪৯,৪৫৭
মৃত্যু
৩৯৩,১৪২