শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২০ ইং, সকাল ৮:৩৪
সর্বশেষ :
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষ রোপনে উৎসাহিত করছেন মাহাবুব পলাশ গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে ৬ জন আক্রান্ত পলাশবাড়ীতে উপজেলা পর্যায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা-সচেতনতা শীর্ষক প্রেসব্রিফিং ও সেমিনার ফুলছড়িতে সরিষা ফসলের কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত কাজিপুরে এস.এস.সি ফলাফলে শীর্ষস্থান অধিকারী মিম প্রকৌশলী হতে চায় মোহাম্মদ নাসিমের রোগমুক্তি কামনায় কাজিপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউপি পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল “জননেতা মোহাম্মদ নাসিম সুস্থ হয়ে খুব শীঘ্রই আমাদের মাঝে ফিরতে পারেন, মহান আল্লাহর দরবারে এই প্রার্থনা” করোনায় বিপাকে ইন্দুরকানীর ক্যাবল অপরারেটররা ইন্দুরকানীতে ছাত্রলীগের এক গ্রুপের হামলায় অপর গ্রুপের ১০ জন আহত সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়ন পরিষদে চার মাস হেঁটেও পায়নি জন্ম নিবন্ধন সনদ !
সংবাদ শিরোনামঃ
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষ রোপনে উৎসাহিত করছেন মাহাবুব পলাশ গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে ৬ জন আক্রান্ত পলাশবাড়ীতে উপজেলা পর্যায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা-সচেতনতা শীর্ষক প্রেসব্রিফিং ও সেমিনার ফুলছড়িতে সরিষা ফসলের কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত কাজিপুরে এস.এস.সি ফলাফলে শীর্ষস্থান অধিকারী মিম প্রকৌশলী হতে চায় মোহাম্মদ নাসিমের রোগমুক্তি কামনায় কাজিপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউপি পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল “জননেতা মোহাম্মদ নাসিম সুস্থ হয়ে খুব শীঘ্রই আমাদের মাঝে ফিরতে পারেন, মহান আল্লাহর দরবারে এই প্রার্থনা” করোনায় বিপাকে ইন্দুরকানীর ক্যাবল অপরারেটররা ইন্দুরকানীতে ছাত্রলীগের এক গ্রুপের হামলায় অপর গ্রুপের ১০ জন আহত সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়ন পরিষদে চার মাস হেঁটেও পায়নি জন্ম নিবন্ধন সনদ !
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ মে, ১৯, ২০২০, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
  • 57 বার দেখা হয়েছে


এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া:

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা মায়ের সন্তানরা মায়ের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকার রাজপথ বুকের রক্তে রাঙিয়েছিল। সংগ্রামে কাঁপিয়ে দিয়েছিল শাসকগোষ্ঠীর ভিত। ভাষা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গতিশীল হয়েছিল আমাদের মুক্তিসংগ্রাম। আমাদের ভাষা সংগ্রাম, মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা দেখে আশ-পাশের সংগ্রামী মানুষগুলো যখন উজ্জীবিত হয়েছিলো। তারই মূর্ত প্রকাশ ছিলো ৯ বছরের মাথায় ভারতের আসাম রাজ্যের শিলচরের বাংলা ভাষা আন্দোলন।

বাংলাকে প্রাদেশিক দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দেয়ার দাবিতে সেখানে শুরু হয়েছিলো ভাষা আন্দোলন। আজও এ ইতিহাস তাড়িয়ে বেড়ায় আসামের বাঙালিদের।একটু পেছনে তাকালে দেখা যায়, এ আন্দোলনের ঘটনা একদিনে শুরু হয়নি। ভারতে বহু জাতি ও বহু ভাষাগোষ্ঠী অধ্যুষিত আসাম রাজ্যে বাঙালিকে বিদেশী এবং বহিরাগত রূপে চিহ্নিত করার হীন অপপ্রয়াস শুরু হয় বেশ আগে থেকেই। আসামের প্রতি বাঙালিদেরআনুগত্য নিয়ে সংশয়, সন্দেহ ও প্রশ্ন উত্থাপিত হতে থাকে মহল বিশেষের প্ররোচনায়।

‘আসাম শুধু অসমিয়াদের জন্য’ এই সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদকে উস্কে দিয়ে সেখানে বাঙালির অধিকার হরণের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চলতে থাকে। শুরু হয় বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলিকে সুপরিকল্পিতভাবে অসমিয়াকরণের প্রয়াস। বাংলা মাধ্যমের স্কুলগুলোতে শিক্ষার মাধ্যমহিসেবে অসমিয়া ভাষা প্রবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং অন্যথায় তাদের অনুদান বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ফলে ১৯৪৭ থেকে ১৯৫১-ও মধ্যে সেখানে ২৫০টি বাংলা মাধ্যমের স্কুলের মধ্যে ২৪৭টিই বন্ধ হয়ে যায়। আসামের বিধান সভাতেও অসমিয়াকরণের প্রচেষ্টা শুরু হয় ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে।

১৯৫৩ সাল পর্যন্ত বিধানসভায় অনসমিয়াদের বেলায় বাংলা, ইংরেজি কিংবা হিন্দি ভাষায় বক্তব্য উপস্থাপনের বিধান ছিল। ঐ বছর নতুন আইন পাশ করে তা কেড়ে নেয়া হয়। ঐ আইনে বলা হয় : “The business of the House shall be transacted in Assamese or in English.” তবে ঐ বিধানে তখনও অধ্যক্ষের অনুমতিক্রমে মাতৃভাষায় বক্তব্য পেশের সুযোগ ছিল। কিন্তু ১৯৫৪ সালে বিধানসভায় একমাত্র অসমিয়াকে রাজ্যের ভাষা হিসাব গ্রহণ করার জন্য প্রস্তাব উত্থাপিত হলে তাতে আসাম রাজ্যের সর্বত্র অনসমিয়া ভাষীদের মধ্যে বিতর্ক ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অবশ্য বেসরকারিভাবে উত্থাপিত ঐ প্রস্তাব তখন বিবেচনা না করে স্থগিত রাখা হয়। কিন্তু বাংলাভাষীদের মধ্যে জনসংখ্যানুপাতে বাংলাকে দ্বিতীয় ভাষার সম্মান দেয়ার দাবি ওঠে।

এ দাবি প্রকট হয় ক্রমশ: ভাষা আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে ১৯৬০-এর এপ্রিলে। ২১ ও ২২ এপ্রিল আসাম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির এক সভায় অসমিয়াকে আসামের একমাত্র ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদানের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। এর পর পরই আসাম প্রদেশের শাসকবর্গ উগ্র ভাষাপ্রেমের পক্ষে অবস্থান নেন এবং অসমিয়াকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার অপচেষ্টায় সক্রিয় তৎপরতা শুরু করেন। এর ফলে অনসমিয়া বিশেষত বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং সরকারি দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে স্বীকৃতিআদায়ের লক্ষ্যে ২১ জুন ১৯৬০ শিলচরে ‘নিখিল আসাম বাঙ্গালা ভাষা সম্মেলন’-এর উদ্যোগে এক বিশাল সভা অনুষ্ঠিত হয়। লোকসভাসদস্য শ্রীদ্বারিকানাথ তেওয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঐ সভায় আলতাফ হোসেন মজুমদার, নন্দকিশোর সিংহ, নিবারণচন্দ্র লস্কর, রথীন্দ্রনাথ সেন, গোলাম ছগির খান, শরৎচন্দ্রনাথ বসু প্রমুখ বিশিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং প্রতিবাদ জানান। সভায় অসমিয়াকে রাজ্যভাষা করার আন্দোলনের নামে বাঙালিদের উপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদ করা হয়।

বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনকে সংহত রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে ২ ও ৩ জুলাই ১৯৬০ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় ‘নিখিল আসাম বাঙ্গালা ভাষা সম্মেলন’। এই সম্মেলনে আসাম রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পঁচিশ হাজার নরনারী সমবেত হয়। বিভিন্ন জাতি, উপজাতি ও গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বমূলক অংশগ্রহণের মাধ্যমে সম্মেলন পরিণত হয় মহাসম্মেলনে। সভায় আসামের সরকারি ভাষা হিসেবে একমাত্র অসমিয়ার প্রবর্তন স্থগিত রেখে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরই শুরু হয় দাঙ্গা হাঙ্গামা। অসমিয়াপন্থী উগ্র দাঙ্গাবাজরা পথে নামে। নির্বিচারে বহু বাঙালির বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। লুঠতরাজ, হত্যা ও ধর্ষণ চলে অসমিয়া ভাষা আন্দোলনের নামে। ক্ষমতাসীন সরকার এতে পরোক্ষভাবে মদতজোগায়। যদিও সরকারের সবার এতে সমর্থন ছিল না। প্রশাসনের এক শ্রেণীর উগ্র জাতীয়তাবাদী কর্তাব্যক্তি ও পুলিশ কর্মকর্তা এসব ঘটনায় নেপথ্যে ইন্ধন জোগান।

১০ অক্টোবর আসাম বিধান পরিষদে আসাম সরকারি রাজ্যভাষা বিল উত্থাপন করা হয়। ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ বিল নিয়ে আলোচনা চলে। ২৪ অক্টোবর সব সংশোধনী প্রস্তাব, অনুরোধ-নিবেদন উপেক্ষা করে রাজ্যভাষা বিল চূড়ান্ত ভাবে গৃহীত হয়। এভাবে আসামের বিভিন্ন অসমিয়া উপজাতি গোষ্ঠী ও দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী লক্ষ লক্ষ বাঙালির মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার দাবি উপেক্ষিত ও অস্বীকৃত হয়। এর প্রতিবাদে অনেক সংসদ সদস্য সভাকক্ষ ত্যাগ করেন। মাতৃভাষার অধিকার বঞ্চিত লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্ষোভে, দুঃখে, উত্তেজনায় ফেটে পড়ে। ১৯৬০-এর ৬ ও ৯ নভেম্বর নিখিল আসাম বঙ্গ ভাষাভাষী সম্মেলনের উদ্যোগে কনভেনশন আহ্বান করা হয়। কনভেনশন সংবিধান স্বীকৃতভাষা-অধিকার সুরক্ষা করা ও মাতৃভাষার স্বীকৃতি আদায় সহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়।

বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ক্রমেই সংহত রূপ নিতে থাকে। ১৯৬০-এর ১৮-২০ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় কাছাড় উপত্যকা তথা বরাক উপত্যকার বাঙালি নাথ যুগী সম্প্রদায়ের ৩৬তম বার্ষিক অধিবেশন। ঐ অধিবেশনে বাংলা ভাষাকে অসমিয়া ভাষার মতো সরকারি মর্যাদা দেওয়া না হলে বাঙালি ও বাংলা ভাষাভাষী অধ্যুষিত অঞ্চল আসাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ব্যক্ত করা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬১ করিমগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয় কাছাড় জেলা জনসম্মেলন। সম্মেলনে বাংলা ভাষাকে আসামের অন্যতম রাজ্যভাষা করার দাবি তোলা হয়। অন্যথায় সমগ্র জেলায় অসহযোগ আন্দোলন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

১৪ এপ্রিল ১৯৬১ নববর্ষের দিনে কাছাড় জেলা গণসংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে পালিত হয় ‘সংকল্প দিবস’। সংকল্প করা হয় মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার। এই সংকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম হিসাবে ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয় পদযাত্রা। দুই সপ্তাহ ধরে পদযাত্রীরা ২২৫মাইল পথ অতিক্রম করেন। গ্রামে গ্রামে বাংলা ভাষা আন্দোলনের পক্ষে প্রচার চালান। ২ মে তাঁরা করিমগঞ্জে এসে পৌঁছলে তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

১৯ মে ভাষা আন্দোলনের অংশ হিসাবে কাছাড় জেলার সর্বত্র হরতাল পালিত হয়। আগের রাতে করিমগঞ্জে সংগ্রাম পরিষদের কার্যালয়ে চলেপুলিশি হামলা। আন্দোলন ঠেকাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয় অনেক নেতা-কর্মীকে। সে খবর দাবানলের মতো রাতেই ছড়িয়েপড়ে সর্বত্র। শহর জেগে ওঠে উত্তেজনায়। ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে জনতা নামে রাজপথে। অর্থাৎ চুড়ান্ত আন্দোলনের শুরু ১৯৬১ সালের ১৯ মে। বাংলা ভাষার স্বীকৃতির দাবিতে ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক উপত্যকার শিলচর রেলস্টেশনে জড়ো হয়েছিল হাজারো মানুষ। তারা শুরু করেছিল সত্যাগ্রহ আন্দোলনের। তাদের দাবি ছিল জনসংখ্যানুপাতে রাজ্যের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেয়া। এ আন্দোলনকে ভালো চোখে নেয়নি আসামের তৎকালীন সরকার। এই আন্দোলনকে দমনের জন্য সেদিন হিংস্র হয়ে উঠেছিল আসামের আধাসামরিক বাহিনী। তারা বিনা উস্কানিতে গুলি ছোড়ে নিরীহ মানুষের শান্তিপূর্ণ সত্যাগ্রহ আন্দোলনকারীদের ওপর। তাতে শহীদ হয় ১১ জন। কিন্তু তবুও আন্দোলন থামেনি। জেলার সর্বত্র একই সময় থেকে সর্বাত্মক ধর্মঘট কর্মসূচি পালিত হতে থাকে। দোকানপাট যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। কোর্ট-কাছারি, ডাকঘর, অফিস-আদালত সব কার্যালয়ের সামনে চলে পিকেটিং। গ্রেফতার বরণ করেন হাজার হাজার কর্মী।

আন্দোলনের ব্যাপকতা দেখে শাসকগোষ্ঠী মাথা ঠিক রাখতে পারেনি। ভাষা আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য তারা বেছে নেয় চরম নির্যাতনেরপথ – গুলি। গুলি চালানো হয় সংগ্রামীদের উপর। সেদিনের অগ্নিঝরা দিনে গুলিতে যে ১১ জন শহীদ হন এঁরা হলেন : শচীন্দ্র পাল, কানাই নিয়োগী, কমলা ভট্টাচার্য, সুনীল সরকার,সুকোমল পুরকায়স্থ, কুমুদ দাস, চন্ডীচরণ সূত্রধর, তরণী দেবনাথ, হীতেশ বিশ্বাস, বীরেন্দ্র সূত্রধর ও সত্যেন্দ্র দেব। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর অসম সরকার বরাক উপত্যকায় বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসাবে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ১৯৬১ সালের ১৯ মে বাংলা ভাষার জন্য রক্তদানের ঘটনাটি বাঙালির ভাষা-আন্দোলনের ইতিহাসে একটি উপেক্ষিত এবং বিস্মৃত অধ্যায়। আমাদের এখানে যেমন ২১ ফেব্রুয়ারির দিনটিকে ঘিরে বাংলা ভাষার চর্চা বা আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়।সারা বছর এ ব্যাপারে তেমন কোনো উদ্যোগ বা ভাষাভিত্তিক কর্মকান্ড খুব একটা পরিলক্ষিত হয় না। আসামের ঘটনাটিও তার বিকল্প কিছু নয়। কিন্তু ঢাকা বা আসামের সেইসব ভাষা শহীদদের মহান আত্মত্যাগের কথা ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। বাংলা ভাষার সঙ্গে এসব সংগ্রামীদের জীবনের রক্তাক্ত অধ্যায় মিশে আছে। ১৯৫২ তে ঢাকার ও ১৯৬১ তে আসামের ভাষা শহীদদের সংগ্রামের প্রতি যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের একান্ত কর্তব্য।

(লেখক : রাজনীতিক ও কলাম লেখক,
মহাসচিব, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ও
আহ্বায়ক, জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন)

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৭,৫৬৩
সুস্থ
১২,১৬১
মৃত্যু
৭৮১

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬,৬৯৮,৩৭০
সুস্থ
৩,২৪৪,৫৭৪
মৃত্যু
৩৯৩,১৪২