বৃহস্পতিবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, দুপুর ১:০০
নোটিশঃ
দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ৪০ মেঃ টন বন্ড চোরাই সূতা জব্দ সলঙ্গার দাদপুর-সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরণে ৭হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ সিংড়ায় নব বিবাহিত যুবক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ ফুলপুরে পলিথিনে আর হবেনা পরিবেশ দূষণ সেই সাথে ভূমি নষ্ট, পলিথিন হবে এখন আয়ের উৎস মাহবুবুর রহমানকে বিতর্কিত করতে নতুন কৌশলে বিএনপি, মিষ্টি বিতরণ! আরো ১১টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অপেক্ষায়: তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়নের পরিপূরক গণপদত্যাগের শঙ্কায় বিএনপি, ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী! রুমিনের পর এবার বিতর্কিত বিএনপির এমপি হারুন!
সংবাদ শিরোনামঃ
দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ৪০ মেঃ টন বন্ড চোরাই সূতা জব্দ সলঙ্গার দাদপুর-সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরণে ৭হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ সিংড়ায় নব বিবাহিত যুবক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ ফুলপুরে পলিথিনে আর হবেনা পরিবেশ দূষণ সেই সাথে ভূমি নষ্ট, পলিথিন হবে এখন আয়ের উৎস মাহবুবুর রহমানকে বিতর্কিত করতে নতুন কৌশলে বিএনপি, মিষ্টি বিতরণ! আরো ১১টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অপেক্ষায়: তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়নের পরিপূরক গণপদত্যাগের শঙ্কায় বিএনপি, ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী! রুমিনের পর এবার বিতর্কিত বিএনপির এমপি হারুন!
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ নভেম্বর, ২, ২০১৯, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
  • 6 বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:
গ্রাম বললেই ফসলের ক্ষেত, কাঁচা রাস্তা, মাটির বাড়ি- এমন ছবিই ভেসে ওঠে। কিন্তু বিশ্বে এমনও কিছু গ্রাম আছে, যেগুলো অত্যাধুনিক লাইফস্টাইল এবং সব রকম সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে অনেক বড় বড় শহরকেও পিছনে ফেলে দেবে।

চীনের জিয়াংসু প্রদেশের হুয়াক্সি এমনই একটি গ্রাম। এটাকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গ্রাম বলে দাবি করা হয়। এটি ‘সুপার ভিলেজ’ নামে পরিচিত।
১৯৬১ সালে গড়ে ওঠে গ্রামটি। স্থানীয়দের মতে, ক্ষেত-খামার, কাঁচা বাড়ি, রাস্তা- প্রথম দিকে আর পাঁচটা গ্রামের মতোই ছিল হুয়াক্সি। কিন্তু গ্রামটি আধুনিক রূপ পায় কমিউনিস্ট পার্টির প্রাক্তন সেক্রেটারি উ রেনবাওয়ের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়। হুয়াক্সিকে সোশালিস্ট গ্রামের তকমা দিয়েছেন গ্রামবাসীরাই।

দাবি করা হয়, এক সময় যারা চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন, আজ তারাই কোটিপতি। গ্রামের প্রতিটি বাসিন্দার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে কমপক্ষে ১০ লাখ ইউয়ান অর্থাৎ বাংলাদেশি প্রায় দুই কোটি টাকার কাছাকাছি।

এই গ্রামে সব মিলিয়ে দু’হাজার জনের বাস। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই গ্রামের প্রত্যেক বাসিন্দাকে বিলাসবহুল ঘর, গাড়ি এবং জীবনযাপনের সব রকম স্বাচ্ছন্দ্য, সুবিধা দেয়া হয়। এবং এই সুবিধা পাওয়ার জন্য বাসিন্দাদের নিজের পকেটের টাকা খরচ করতে হয় না। তবে এই সব সুবিধা-ভোগ করেন শুধু গ্রামের আসল বাসিন্দারাই।

গ্রামটিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় বড় শিল্প। যার শেয়ারহোল্ডার গ্রামবাসীরাই। সংস্থার বার্ষিক লাভের এক-পঞ্চমাংশ দেয়া হয় তাদের।

গ্রামটি এতো সমৃদ্ধ যে, এখানে ৭২ তলা বহুতল রয়েছে। আছে শপিং মল এবং অত্যাধুনিক থিম পার্ক। শুধু তাই নয়, চাইলে হেলিকপ্টার পরিষেবাও সহজেই পাওয়া সম্ভব।

গ্রামের প্রতিটি ঘরের আকার এবং নকশা একই রকমের। বাইরে থেকে দেখে মনে হবে হাজারো হোটেল সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে!

নিয়মের দিক থেকে বেশ কড়াকড়ি রয়েছে হুয়াক্সিতে। এখানে সপ্তাহে সাত দিনই কাজ করতে হয় গ্রামবাসীদের। কোনও ছুটি নেই। শুধু তাই নয়, গ্রামে জুয়া, মাদক সব নিষিদ্ধ।

গ্রামের আরও আকর্ষণীয় যে বৈশিষ্ট তা হলো, কেউ যদি এক বার এই গ্রাম ছেড়ে চলে যান, তা হলে তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নেয় প্রশাসন।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন