মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২০ ইং, রাত ২:১৮
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ মে, ৭, ২০২০, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
  • 45 বার দেখা হয়েছে




মোশারফ ভূঁইয়া পলাশ:
স্বপ্ন দেখি নতুন একটা সুন্দর ভোরের একটা সুন্দর দিনের, সেই সাথে স্বপ্ন দেখি চারপাশ বদলে যাবে ভালবাসা আর ভালো কাজে। পৃথিবীতে একদিন একসাথে বৃষ্টি নামুক ভাল বৃষ্টি, যে বৃষ্টিতে ভিজে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে সবাই। শুদ্ধতার বাতাবরণে সমাজ সংসার আমাদের চারিদিক নির্মল সুন্দর হয়ে উঠবে।
ছায়াসঙ্গী গল্পগ্রন্থের লেখক আফরোজা চৌধুরী দিনা তার বইয়ের মুখবন্ধের এক জায়গায় এভাবে তার মনের ভাব প্রকাশ করেছেন। লেখকের মনের ইচ্ছে তার লেখনির বহিঃপ্রকাশ পাওয়া যায় বলা যেতে ভপারে। ছায়াসঙ্গী গল্পগ্রন্থের গল্পগুলো লেখার ব্যাপারে লেখক আফরোজা চৌধুরী দিনা মুখবন্ধে লিখেন — দীর্ঘদিন গল্প লিখার ইচ্ছে ছিল, আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো নিয়ে গল্প লেখার শুরুটা করতে চেয়েছিলাম, ভাবতে ভাবতেই একসময় ভাবনাগুলোকে লিখে ফেলার উদ্দ্যেগ নিলাম। ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে আরও কাজ করার, শিল্প সাহিত্যের ভুবনে নিরন্তর পথচলার।

ছায়াসঙ্গী গল্পগ্রন্থে পর পর তিনটি গল্প রয়েছে, গল্প তিনটি হলো যথাক্রমে ছায়াসঙ্গী, লালশাড়ি ও একটি ডায়েরি, ভালোবাসার আদ্ভুদ পৃথিবী। তিনটি গল্পের অভিন্ন বৈশিষ্ট্য হলো তিনটি গল্পই ভালোবাসা নির্ভর তবে এই ভালোবাসার রং এবং ধরন বৈচিত্রময়, মুলত এখানেই লেখকের লিখনিতে মুন্সিয়ানার ছাপ পাওয়া যায়, বর্তমান সময়ে সাধারনত নবীন ও উদীয়মান লেখকদের লেখায় এমন পাওয়া যায় না। বইয়ের প্রথম গল্প ছায়াসঙ্গী মুলত পরিনত বয়সের দুজন মানুষকে ঘিরে রচিত হয়েছে, দ্বিতীয় গল্প মা ও ছেলেকে নিয়ে এবং শেষ মানে তৃতীয় গল্পও দুজন করে চার জন মানুষকে ঘিরে রচিত হয়েছে। তিনটি গল্পেরই কাহিনী একেবারে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে রচিত হয়েছে।

গল্পগুলো পড়ে অনেকদিন পর মনে হলো জনপ্রিয় ও বরেণ্য লেখকদের প্রভাবমুক্ত বই পড়লাম। গল্পে ভাষার ব্যবহার ছিলো সাধারণ, তাই বলা যায় সাধারণ ভাষার গাঁথুনিতে অসাধারণ বই “ ছায়াসঙ্গী ”। লেখক তার স্বাভাবিকত্ব দিয়ে পাঠকের মনের ভেতর তার গল্প প্রবেশ করিয়েছেন।গল্পগুলো পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল গল্পে আমার জীবনের কথাগুলো লেখক লিখেছে। অনেকদিন পর আফরোজা চৌধুরী দিনা’র গল্পে ভিন্ন স্বাদের নতুন আঙ্গিকের বই পড়লাম, সব কটা গল্পে যেমন কাহিনী আছে তেমনি গল্পের স্বাদও পাওয়া গেল। লেখক তার শেকড় ভুলে যাননি বোঝা যায়, বলা যায় সব ধরনের সব বয়সের পাঠক সমানভাবে আনন্দ নিয়ে নতুনত্বের স্বাদ নিয়ে গল্পগুলো পড়তে পারবে।

তারুণ্যের প্রতিক নবীন লেখক আফরোজা চৌধুরী দিনাকে কারো সাথে তুলনা করবো না, শুধু বলব তার লেখনি তাঁকে একদিন স্বমহিমায় উজ্জ্বল করে বাংলা সাহিত্যে আলাদা স্থানে নিয়ে যাবে। নিয়মিত লেখালেখিতে এগিয়ে যান সম্ভাবনাময়ী উদীয়মান লেখক এটাই প্রত্যাশা।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৫,৫৮৫
সুস্থ
৭,৩৩৪
মৃত্যু
৫০১

বিশ্বে

আক্রান্ত
৫,৫৬৩,৬৯৭
সুস্থ
২,৩৪৯,৬৯৭
মৃত্যু
৩৪৬,৬৯৬