মঙ্গলবার, ৩১শে মার্চ, ২০২০ ইং, রাত ৩:৫৫
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ মার্চ, ২৫, ২০২০, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
  • 10 বার দেখা হয়েছে

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
সরকারি ও বে-সরকারি উদ্যোগে গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিনামুল্যে মাস্ক ও জনসচেতনতা মূলক প্রচার পত্র বিলি বিতরণ এবং জেলা তথ্য অফিসের উদ্যাগে শহর ও গ্রাম সহ জেলা বিভিন্ন স্থানে মাইকিং অব্যাহত রয়েছে। জেলা তথ্য অফিসার মো: হায়দার আলী নেতৃত্বে প্রচার পত্র বিলি করেন। এসময় অন্যান্য কর্মকর্তা গণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সরকারি ও বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান, বানিজ্যি কেন্দ্র, হাট বাজার সহ বাসা বাড়িতে প্রবেশ দ্বারে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসনের উদ্যাগে নোভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রনে জেলা কমিটির এক সভা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় । এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো.আবদুল মতিন। সভায় জেলা কমিটির সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার বিভিন্ন স্থানে বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের উপর কড়া নজরদাড়ি রাখা হচ্ছে। আগত ওইসব ব্যক্তিদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত¡াবধানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ জানান, আজ বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদেশ ফেরত ২৩৯ ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৩৯ জনই বিদেশী। তারা যাতে নিয়মের বাইরে না চলে সেজন্য তাদের উপর কড়া নজরদাড়ি রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা থেকে আইইডিসিআর এর ৪ সদস্যের একটি টিম গাইবান্ধায় পৌঁছে ওই টিমের সদস্যরা সদর উপজেলা ও সাদুল্যাপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে কোয়ারেন্টাইন রাখা বাড়ির সদস্যদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন।

এদিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের একই পরিবারের ২ জন বাসিন্দা গত ১০ মার্চ আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে আসেন । তারা সম্পর্কে বাবা-মা ও ছেলে। গত ১৫ মার্চ গাইবান্ধা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। পরে পরীক্ষার ফলাফলে জানানো হয় মা ও ছেলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এরপর থেকে তারা গাইবান্ধা শহরে এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করছেন।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন