বুধবার, ৩রা জুন, ২০২০ ইং, সন্ধ্যা ৭:২১
সর্বশেষ :
কাজিপুরে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মোহাম্মদ নাসিমের সুস্থতা কামনায় কাজিপুর পৌর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া ও কোরআন খতম মোহাম্মদ নাসিমের সুস্থতা কামনায় কাজিপুর মাইঝবাড়ী ইউনিয়ন আ:লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল কাল থেকে বিনা মাশুলে আম পরিবহণ শুরু `২০২১ সালের মধ্যে দেশের ৯০ শতাংশ সেবা অনলাইনে দেওয়া হবে` শেখ হাসিনার উপহার পৌঁছে যাচ্ছে কাতার প্রবাসীদের ঘরে ঘরে নিজেরা আক্রান্ত হয়েও সেবায় পিছিয়ে নেই চিকিৎসাকর্মীরা দু মাসের সঞ্চয়ী আমানতের বিলম্ব ফি ছাড় বেলকুচিতে চাউল ব্যবসায়ী নিখোঁজ সলঙ্গায় মোহাম্মদ নাসিমের রোগ মুক্তি কামনা করে মন্দিরে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও প্রার্থনা
সংবাদ শিরোনামঃ
কাজিপুরে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মোহাম্মদ নাসিমের সুস্থতা কামনায় কাজিপুর পৌর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া ও কোরআন খতম মোহাম্মদ নাসিমের সুস্থতা কামনায় কাজিপুর মাইঝবাড়ী ইউনিয়ন আ:লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল কাল থেকে বিনা মাশুলে আম পরিবহণ শুরু `২০২১ সালের মধ্যে দেশের ৯০ শতাংশ সেবা অনলাইনে দেওয়া হবে` শেখ হাসিনার উপহার পৌঁছে যাচ্ছে কাতার প্রবাসীদের ঘরে ঘরে নিজেরা আক্রান্ত হয়েও সেবায় পিছিয়ে নেই চিকিৎসাকর্মীরা দু মাসের সঞ্চয়ী আমানতের বিলম্ব ফি ছাড় বেলকুচিতে চাউল ব্যবসায়ী নিখোঁজ সলঙ্গায় মোহাম্মদ নাসিমের রোগ মুক্তি কামনা করে মন্দিরে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও প্রার্থনা
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ অক্টোবর, ১০, ২০১৯, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
  • 8 বার দেখা হয়েছে

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ বলেছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ শ্রেণির শতভাগ শিক্ষার্থীর টিউশন ফি সরকার দেবে। সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি এক এক রকম। কোন প্রতিষ্ঠানে কত টাকা টিউশন ফি দেওয়া হবে তা নির্ধারণ করতে আরও কয়েকটি কর্মশালা করে চূড়ান্ত করা হবে। পর্যায়ক্রমে এটি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চালু করা হবে। শিক্ষায় এসডিজি-৪ বাস্তবায়নের জন্য এ সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসইডিপির (এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) অধীনে ‘সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচি (এইচএসপি) শীর্ষক স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। গত রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অংশীজনদের নিয়ে এ সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় এসব তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, লেখাপড়ার পেছনে একজন শিক্ষার্থীর দুই ধরনের খরচ হয়। একটি প্রাতিষ্ঠানিক। অপরটি পারিবারিক। পারিবারিক ব্যয়ের মধ্যে আছে খাতা, কলম, জামা-কাপড় ইত্যাদি। অবৈতনিক শিক্ষার ধারণায় সরকার প্রাতিষ্ঠানিক খরচ বহন করবে। এতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো টিউশন ও অন্যান্য ফি আদায় করা হবে না।

জানা গেছে, সরকার দুইভাবে টিউশন ফি দিতে পারে বলে মত দেয়া হয়েছে। একটি হচ্ছে, প্রত্যেক স্কুল-মাদ্রাসা একই হারে টিউশন ফি নেবে। সেই ফির অর্থ সরকার শিক্ষার্থীর কাছে পাঠাবে। শিক্ষার্থী তা স্কুলে জমা দেবে। অথবা, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত টিউশন ফি সরকার সরাসরি প্রতিষ্ঠানে পাঠাবে। এ ক্ষেত্রে ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রতিষ্ঠান ভেদে ৩৫ টাকা থেকে ১২০টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের জুলাইয়ে ষষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে ৭৫ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৫ শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে। শিক্ষার্থী বৃদ্ধির আনুপাতিক হার বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে ২০২১ সালে ৮০ লাখ ৪৪ হাজার ৬৭৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৯০ লাখ ৫৪ হাজার ৩৫০ জন হবে। ২০৩০ সালে বাংলাদেশে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত নিম্ন মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী হবে এক কোটি চার লাখ ৯৬ হাজার ৪৭৪। প্রতিবছর ১০ শতাংশ হারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিন শ্রেণিতে অবৈতনিক শিক্ষা চালু করতে সরকারের ১৮ কোটি ১৭ লাখ পাঁচ হাজার টাকা দরকার হবে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৫,১৪০
সুস্থ
১১,৫৯০
মৃত্যু
৭৪৬

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬,৪৮৩,৮৯৬
সুস্থ
৩,০৮৯,৫২৮
মৃত্যু
৩৮৩,১০৫