সোমবার, ১লা জুন, ২০২০ ইং, রাত ১:৩৩
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ অক্টোবর, ১০, ২০১৯, ৭:১১ অপরাহ্ণ
  • 83 বার দেখা হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :
ক্ষমতায় না থেকেও পদ-পদবির লোভে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা বিএনপিতে নতুন নয়। যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছানুযায়ী পদ না পাওয়া নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে সংঘাতের ঘটনা যেন প্রতিদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দলীয় কোন্দল ও পদ বাণিজ্যের জেরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের চেম্বার ভাঙচুর করেছে বিএনপি নেতা-কর্মীরা। জানা গেছে, বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। মূলত পদবঞ্চিত আইনজীবীদের উসকানিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে ওই ভবনের নিচতলায় থাকা চেম্বারটিতে (১১০ নম্বর কক্ষ) ভাংচুর করা হয়। তবে এসময় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল চেম্বারে ছিলেন না।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আহ্বায়ক এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও আইনজীবী ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১৭৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিতরা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভবনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। সোমবার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের চেম্বার ভাঙচুরের আগেও পদবঞ্চিতদের মিছিল হয়।

ভাংচুরের বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অযোগ্য, হাইব্রিড ও সুযোগ সন্ধানীরা পদ না পাওয়ায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমার চেম্বারে হামলা করেছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো আমার ক্ষতি করা। সত্যি বলতে, অযোগ্য ও পদ লোভী নেতাদের কারণে সব জায়গায় বিএনপির বদনাম হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, কারও বিরুদ্ধে যদি শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে দলীয়ভাবে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর যোগ্য কেউ পদবঞ্চিত হয়ে থাকলে তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কমিটিতে থাকার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। তাই বলে বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪৭,১৫৩
সুস্থ
৯,৭৮১
মৃত্যু
৬৫০

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬,২২৪,৭৬৫
সুস্থ
২,৭৭৯,১১২
মৃত্যু
৩৭২,৫৩৩