মঙ্গলবার, ৩১শে মার্চ, ২০২০ ইং, রাত ৪:৩৩
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি, ২৩, ২০২০, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
  • 77 বার দেখা হয়েছে

রাজ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ কামারখন্দে অস্বাভাবিক পেট নিয়ে চলছে ভ্যান চালক ছোলেমানের জীবন, ভ্যান বিক্রি করে চিকিৎসা করছেন। জীবনের শেষ মুহুর্তে এসে একটু ভাল ভাবে বেঁচে থাকার আকুতি।
ছোলেমান সরকার কামারখন্দ উপজেলার শুকুর আলী সরকারের ছেলে নাম। একে একে নয়টি মাস পেরিয়ে গেলেও কষ্ট কমেনি অসুস্থ ছোলেমানের। প্রতিটা সময় কষ্ট কুরে কুরে খাচ্ছে তাকে। ভাল চলছিল ছোলেমানের জীবন সংসার। ছোলেমানের ১০ বছর নিজ এলাকায় রিক্সায় চালিয়েছেন। তার পর পরিবার নিয়ে গাজিপুর চলে যান। সেখানে ১১ বছর কোম্পানিতে লোডার হিসেবে কাজ করেন। আবার ফিরে আসেন নিজ গ্রামে। ভ্যান চালাতে থাকেন বছর দুই।
গত বছর রমজানের ঈদে তার পায়ে হানিয়া উঠে। ডাক্তার দেখালে তাকে অপারেশন করতে বলে। সিরাজগঞ্জ একটি হাসপাতালে অপারেশন করে৷বেশ ভালই ছিল ছোলেমান। কিন্তু কিছুদিন যেতে সেখানে ইনফেকশন দেখা দেয়। ছোলেমানের সংসারে ৪ মেয়ে এর মধ্যে ৩ মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন অনেক কষ্টে, আরেক মেয়ে ক্লাস সিক্সে পড়ে।
শরীরে যখন ইনফেকশন দেখা দেয় তখন ভ্যানটা বিক্রি করে চিকিৎসা চালাতে থাকেন। কিন্ত নিজের টাকা না থাকায় চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায় ছোলেমানের। এসময় সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের আলোকদিয়ার গ্রামে বেসরকারি সেচ্ছা সেবী প্রতিষ্ঠান খোকন চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন ছোলেমানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। টানা দেড় মাস ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সব ধরনের টেষ্টা করান।
ছোলেমান জানান, এখন আমার চিকিৎসা করার মত কোন অবস্থা নেই। এখন বাড়িতে এভাবেই কষ্ট করছি। প্রতি ১৫ দিন পর পর সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে গিয়ে পেট থেকে ৫/৬ লিটার করে পানি বের করে নিয়ে আসি। আমার তখন অনেক কষ্ট হয়।
ছোলেমানের স্ত্রী মমতা বেগম জানান, আমার স্বামীর কষ্ট দেখলে অনেক খারাপ লাগে। সারারাত ঘুম পাড়ে না। আজকে আবার হাসপাতালে নিয়ে পানি বেড় করতে হবে। আপনারা সবাই যদি এগিয়ে আসেন তাইলে ভাল চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন