শনিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, বিকাল ৪:৩১
সর্বশেষ :
সংবাদ শিরোনামঃ
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি, ৯, ২০২০, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
  • 166 বার দেখা হয়েছে

গরিব মানুষের ডিমের উপর ভরসা করার মূল কারণ কম খরচে পুষ্টি। স্বাদ, পুষ্টি ও সুষম আহারের খোঁজে ডিমের সঙ্গে পাল্লা দেবে এমন খাবার খুব কমই রয়েছে। তবে এক সময় মনে করা হতো ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল বাড়ে। কিন্তু আধুনিক গবেষণা প্রমাণ করেছে, এ ধারণা ভিত্তিহীন। বরং ডিমের কুসুম খারাপ কোলেস্টেরলকে কমিয়ে ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ওজনে কোনও প্রভাবই ফেলে না ডিম। তেল-মশলার যে কোনও খাবারই ওজন বাড়ে। ডিমও খুব কষিয়ে রান্না করলে বা ঘন ঘন ভেজে খেলে তেল-মশলার জন্যই মেদ বাড়ে। মেদ নিয়ে ভয় থাকলে ডিম বাদ দেওয়ার কোনও কারণই নেই। বরং বেশ কিছু উপায়ে ডিম খেলে নির্বিঘ্নে মেদের সঙ্গে লড়া যায়। শরীরও পায় পুরো পুষ্টিগুণ।

ডিম খান এই সব উপায়ে:-

জল দিয়ে পোচ

তেল না দিয়ে ডিম পোচ করুন পানি ও ভিনিগারের সাহায্যে। একটি পাত্রে কিছুটা পানি নিয়ে তাতে অল্প ভিনিগার যোগ করে পানিটা নেড়ে নিন। এবার খুব সাবধানে প্রথমে ডিমের সাদা অংশ ফেলুন পানিতে। তার উপর ফেলুন ডিমের কুসুম। এমনভাবে কুসুম যোগ করতে হবে যাতে তা ভেঙে না যায়। কিছুক্ষণ পরেই ডিমের সাদা অংশ ফুলে উটে ঢেকে দেবে হলুদ কুসুমকে। সাদা আস্তরণের ভিতর টলটল করবে কুসুম। ঝাঁঝরি হাতা দিয়ে পোচটিকে আলতো করে তুলে নিন পানি থেকে। তেল ছাড়া এমন পোচই গোটা বিশ্বে জনপ্রিয়। ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে এই পোচ থেকে। মেদ জমার ভয়ও থাকে না।

স্যালাড

পালং, শশা, ব্রকোলি, সিদ্ধ করা গাজর, কড়াইশুটি, টমেটো-পিঁয়াজের স্যালাডের সঙ্গে মিশিয়ে দিন সিদ্ধ ডিমের কুঁচোনো অংশ। উপর থেকে ছড়ান গোলমরিচ ও লেবুর রস। এতে গোটা ডিমের পুষ্টিগুণ যেমন মিলবে, তেমনই আবার সবুজ সব্জি, শাক ও গাজরের প্রভাবে মেদ বাধা পাবে। ফলে ডিমে বাড়বে না ওজন।

ওটমিল ও ডিম

ডিমের সঙ্গে ওটমিল খান। ওটমিল পাচনমূলক অ্যাসিড ক্ষরণেও বাধা দেয়, তাই ওটমিল খেলে সহজে খিদেও পায় না। ওটমিল শরীরে বাড়তি কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমার পথে বাধা দেয়। এদিকে ডিম জোগান দেয় প্রোটিনের। ফলে ওটমিল ও ডিম একত্রে লড়াই করলে মেদ জমা কঠিন হেয় দাঁড়ায়।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন