বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে এক হাজার টাকায় কিডনি রোগীদের ‘স্থায়ী টানেল্ড ক্যাথেটার’! এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে কিছুই বলেননি বোর্ড সমন্বয়ক কুড়িগ্রামে ফের নদনদীর পানি বৃদ্ধি শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনে শুরু আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতা হৃদরোগে অজি কিংবদন্তি ডিন জোন্সের মৃত্যু আমায় ঝুলন্ত অবস্থায় পেলে বুঝবেন আত্মহত‍্যা করিনি : পায়েল চীনা সৈন্যরা কাঁদতে কাঁদতে যাচ্ছেন ভারত সীমান্তে, ভাইরাল ভিডিও খানসামায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ‘পাকা বাড়ি’ পেল ১০ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার শাহজাদপুরে বহুতল মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ১০ ইলেকট্রনিক্স দোকান ভষ্মীভূত নাটোরে চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ২ সদস্য আটক

লটারি বিক্রি করার পরিণতি

রির্পোটারের নাম
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ১১১ জন দেখেছেন

মুনশি আমিনুল ইসলাম
জাহেলি যুগে শুধুমাত্র ধন-সম্পদের উপরেই জুয়া হতো না, বরং কখনো কখনো স্ত্রীদেরকেও জুয়ার সওদা হিসেবে পেশ করা হত। যা ধীরে ধীরে আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে। লটারি, জুয়া খেলাকে আপাতদৃষ্টিতে নির্দোষ আনন্দ মনে হলেও এর সামাজিক, অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়ংকর।

জুয়া যখন একজন মানুষের চিন্তা-ভাবনা, কাজ-কর্ম, আচার-আচরণ-সবকিছু নীরবে গ্রাস করে নেয়, যখন বারবার চেষ্টা করার পরও সেই কাজ থেকে বিরত থাকা যায় না, ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক, পারিবারিক বা সামাজিক সমস্ত সম্পর্ক নষ্ট হতে থাকে, তখন ব্যক্তি মানসিক রোগীতে পরিণত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কেউ ব্যবসায়ের নামে, কেউ লোভনীয় পুরষ্কারের অফার দিয়ে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এটাকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় সমাজের প্রভাবশালী লোকেরা এর পিছনে ইন্ধন জোগায়। এক্ষেত্রে অনেকে জানে, তারা যা করছে সেটা হারাম বা অন্যায়। আবার অনেকে জানেই না যে, লটারি বা জুয়া খেলা হারাম। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বিশ্বাসীগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদি ও ভাগ্য নির্ণয়ক শর ঘৃন্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন কর। এতে তোমরা সফলকাম হতে পারবে। শয়তান তো মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র স্মরণে ও নামাযে বাঁধা দিতে চায়। অতএব তোমরা কি নিবৃত হবে?’ (সুরা মায়েদা: ৯১-৯১)

আমাদের সমাজে লটারির নামে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে, অলিতেগলিতে, শহরে কিংবা গ্রামে নামে বেনামে জুয়ার রমরমা ব্যবসা চলছে। কৃষক, তরুণ, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে পড়ছেন মরণনেশা জুয়ায়। এসব আসরে উড়ছে লাখ লাখ টাকা। বর্তমানে জুয়া-বাজির জন্য বিভিন্ন রকমের আসর বসে বিভিন্ন স্থানে। কোথাও হাউজি আবার কোথাও সবুজ টেবিল নামে। ফুটবল ও অন্যান্য খেলাধুলার প্রতিযোগিতায়ও বাজি ধরা হয়। প্রাচীন পদ্ধতি ছাড়াও জুয়ার আরো বহু নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে। যেমন- ফ্লাস, পাশা, বাজি রেখে ঘোড় দৌড়, তাস খেলা, চাক্কি ঘোরানো ও রিং নিক্ষেপ ইত্যাদি। এগুলোর সবই কিন্তু হারাম।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, জুয়ায় অংশগ্রহণকারী, খোঁটাদাতা ও মদ্যপায়ী জান্নাতে যাবে না।’ (দারেমি: ৩৬৫৩)

আরেক হাদিসে এসেছে, তিন প্রকার লোকের জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন। ১. সদা মদ পানকারী। ২. পিতা-মাতার অবাধ্য। ৩. দাইয়ুস। (মুসনাদে আহমদ: ৫৩৭২) আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা মদ, জুয়া ও বাদ্যযন্ত্র হারাম করেছেন।’ (বায়হাকি: ৪৫০৩; মিশকাত: ৪৩০৪)

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আর নিউজ দেখুন
© All rights reserved 2015- 2020 thepeoplesnews24

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রনালয়ের নিয়ম মেনে নিবন্ধনের আবেদন কৃত।

Design & Developed By: Limon Kabir
freelancerzone