বৃহস্পতিবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, রাত ১০:১৯
সর্বশেষ :
সংবাদ শিরোনামঃ
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ জানুয়ারি, ১৩, ২০২০, ৯:১০ পূর্বাহ্ণ
  • 24 বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:
দুর্নীতি-অনিয়মে জর্জরিত বেসিক ব্যাংকের কর্মীদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না- তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। সার্কুলারটি স্থগিতের ফলে কর্মীদের আগের বেতন কাঠামো বহাল থাকবে।

গত ২২ ডিসেম্বর বেসিক ব্যাংকের একটি সার্কুলারে বলা হয়, বেসিক ব্যাংক বিগত সাত বছর ক্রমাগত লোকসান দেওয়ায় বিদ্যমান অতিরিক্ত বেতন-ভাতা ব্যাংকের পক্ষে বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই ব্যাংকের বিদ্যমান বেতনকাঠামো ও অন্য সুবিধাদি বাতিল করা হলো।

এই সার্কুলারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপক আবু মো. মোফাজ্জলসহ ছয় কর্মকর্তা গত সপ্তাহে রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

এ বিষয়টি জানিয়ে আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস বলেন, ওই সার্কুলার কার্যকর হলে কর্মীদের ক্ষেত্র বিশেষে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেতন কমবে। তবে কাউকে একবার কোনো সুবিধা দিলে তা কেড়ে নেওয়া যায় না। এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত রয়েছে। এমন যুক্তিতে রিটটি করা হয়।

রুলে গত ২২ ডিসেম্বরের ওই সার্কুলারটি কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অর্থ সচিব, বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পাঁচ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, সরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে বেসিক ব্যাংকের বেতনকাঠামো ছিল আলাদা। এতে তারা অন্য ব্যাংকের চেয়ে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বেতন-ভাতা ভোগ করতেন।

উল্লেখ্য, গত আগস্টে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যাংকটিতে কর্মরতদের বেতন কমানোর নির্দেশনা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ওইদিন বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা ৩৫৪ কোটি টাকা লোকসান করেছেন। মাত্র ৭২টা শাখার জন্য এখানে প্রায় ২১০০ জনবল আছে। এত লোকের এখানে কী কাজ?’

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন