মঙ্গলবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, বিকাল ৫:০২
সর্বশেষ :
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ব্রিজ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার ময়মনসিংহে জিনের বাদশা দলের প্রধান গ্রেফতার ফরিদনগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বি.এম কলেজের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে র‌্যালী-আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস পালন শুরু রায়গঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষক আটক রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী এখনো ‘করোনা ভাইরাস’র সতর্কতা জারি হয়নি মোংলা বন্দরে
সংবাদ শিরোনামঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ব্রিজ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার ময়মনসিংহে জিনের বাদশা দলের প্রধান গ্রেফতার ফরিদনগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বি.এম কলেজের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে র‌্যালী-আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস পালন শুরু রায়গঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষক আটক রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী এখনো ‘করোনা ভাইরাস’র সতর্কতা জারি হয়নি মোংলা বন্দরে
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ জানুয়ারি, ১১, ২০২০, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
  • 31 বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া লেখক নাজমুল ইসলাম:
সেই ফুটবল আর কতকাল অন্ধকারে থাকবে? অবশ্যই বাংলাদেশ ফুটবলের উন্নয়নে ফেডারেশনের কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। যে ফুটবল এই দেশের লাখ কোটি মানুষের রক্ত- বিন্দুতে মিশে আছে, মিশে আছে আমাদের স্বাধীনতার সাথে।

সংস্কার করতে হবে বিদায় করে দিতে হবে, তাদেরকে যাদের কথা আর কাজের মিল নেই। যাহারা দেশের ফুটবলকে কিছুই দিতে পারেননি, শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থ-সিদ্ধির জন্য লক্ষ কোটি ফুটবল প্রেমীদের অভিশাপে অভিশপ্ত হয়েও, বছরের পর বছর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের চেয়ার গুলো দখল করে আছেন।

মনে পড়ে ” ফুটবল ” তোমায় আমার শৈশব কৈশোর,নব্বই দশকের স্টেডিয়ামের গ্যালারীতে বসে গগন-বিদারী চিৎকার। আবাহনী-মোহামেডানের দ্বৈরথ বন্ধুদের সাথে খেলা নিয়ে ঝগড়া মারামারি গ্রুপিং। আর কি কখনও দেখতে পাবো না?

ফুটবল এই দেশের মানুষের বুকের গভীরে লুকিয়ে থাকা এক আবেগের নাম। রাজনীতি-অপরাজনীতি
ব্যক্তি-স্বার্থ..ক্ষমতা সবকিছুর উর্ধ্বে আমাদের আবেগ আর ভালোবাসার ফুটবলকে তার হারানো গৌরব ঐতিহ্য ফিরিয়ে দিতে হলে, ফেডারেশনের দায়িত্ব তাদেরকে দিতে হবে যাদের জিবন যৌবন মিশে আছে ফুটবলে।

আমরা তো তাদেরকে চিনি, আমরা তাদের সম্পর্কে জানি, এমন মানুষ বাংলাদেশ ফুটবলে এখনও আছে যিনি মৃত্যু পথ যাত্রী হয়েও নিজের চিকিৎসার টাকা ফুটবলের সার্থে দান করে দেন।

আমরাতো এমন মানুষদের চিনি, যিনি নিজের নাম পরিচয় গোপন করে, লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া ফুটবলারের চিকিৎসা খরচ বহন করে, তার খেলোয়াড় জীবন ফিরিয়ে দেন। তাদেরকে নতুন ভাবে বাঁচতে সাহায্য করেন।

আমরা তো তাদের কথা জানি,যে মানুষ গুলো চোখ ধাধানো ক্রীড়া নৈপুণ্য দেখিয়ে হাজার হাজার দর্শক সমর্থক’কে মুগ্ধ করেছেন। যাদের খেলা নয়, প্র্যাকটিস দেখতেও শত শত মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। যাদের শৈশব আর কৈশর কেটেছে ফুটবল খেলে মধ্য বয়সে তৈরি করেছেন খেলোয়াড় শেষ বয়সে সংগঠক হয়ে পরিচালনা করছেন দেশের বিভিন্ন ক্লাব। নিঃস্বার্থভাবে জিবনের সবটুকু সময় আর পরিশ্রম বিলিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবলকে।

তারাইতো মৃত্যুর পূর্বে আরেকবার দেখে যেতে চান ফুটবল ময় এক বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশ বিশ্ব ফুটবলে মাথা উঁচু করে দাড়াবে। লাল সবুজের জার্সী পরা বাংলার দামাল ছেলেরা দক্ষিন এশিয়া তথা বিশ্ব ফুটবল মঞ্চ দাপিয়ে বেড়াবে।

এখন নয় তো কখন? বিংশ শতাব্দীতে দাড়িয়ে বিশ্ব। স্বাধীনতার উনপঞ্চাশ বছর অতিক্রান্ত। সময় এসেছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার.. দেশের যুব সমাজকে খেলাধূলায় আকৃষ্ট করতে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সাফল্যের সৎ, দক্ষ, অভিজ্ঞ, আদর্শবান, দেশের ফুটবলের জন্য নিবেদিত প্রাণ মানুষগুলোই পারে ফেডারেশনের দায়িত্ব নিয়ে তৃনমুল থেকে ফুটবলার তৈরি করতে।

সারাদেশে পর্যাপ্ত মাঠের ব্যবস্থা করে , স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা,ওয়ার্ড,ইউনিয়ন, থানা,জেলা উপজেলায় ফুটবল লিগ চালু করে বাংলাদেশ ফুটবলকে পুনর্জাগরণ করতে।

ছবিতে যার পাশে দাড়িয়ে, তিনি আমার পূর্ব পুরুষদের আইডল,আইকন তাদের সময়ের হিরো তাদের সময়ের প্লে,জিকো,সক্রেটিসদের মতোই, প্লে-মেকার শ্রদ্ধেয় হাসানুজ্জামান খান সবার প্রিয় বাবলু ভাই তিনি জিবিত অবস্থায় আরেকবার বাংলাদেশ ফুটবলের স্টেডিয়াম গুলো লিগ চলা-কালীন কানায় কানায় পূর্ণ দেখে যেতে চান। খেলার নির্ধারিত সময়ের ৫/৬ ঘন্টা পূর্বেই জনতার ঢল টিকিট কাউন্টারে মাঠে প্রবেশ করার জন্য যুদ্ধ করা দেখে যেতে চান।

সবশেষে, আমাদের সময়ে আমরা শুধু মেসি নেইমার কিংবা এমবাপ্পের বায়োগ্রাফি নিয়ে পরে থাকতাম না রুটগুলিত,ম্যারাডোনা, ক্যানেজিয়া,লোথার ম্যাথিউস, ক্লিন্সমান,কারেকা,রবিরতো বাগই,ক্যামেরুন রজের মিল্লার,গ্যারি লিনেকার’ মালদিনির মতো বিশ্ব জয়ী ফুটবলার’দের পাশাপাশি কায়সার হামিদ, আসলাম, সাব্বির, মনু, রেহান,রুমি, মামুন জোয়ার্দার,মোনেম মুন্না,বড় লিটন,ছোট লিটন,ওয়াসিম,রকিব,নকিব,আলফাজ আরমান , কানন, মহসিন, পনির,মাসুদ রানা,জুয়েল রানা হাসান আল মামুনদের বায়োগ্রাফি হৃদয় গহীনে সযত্নে লালন করেছি।

আজকের তরুণ প্রজন্ম এই নাম গুলো জানেনা, জানতেও পারেনা। এরা ছিলেন আমাদের আইডল, আইকন হ্যামিলিয়নের বাঁশি ওয়ালা মাঠে বাঁশির সুর তুললে, পায়ের সুনিপুণ জাদু দেখার জন্য আমরা সহপাঠীরা স্কুল ফাঁকি দিয়ে দিশেহারা হয়ে ছুটে যেতাম নব্বইয়ের আরও কত অসাধারণ সব স্মৃতি যে আছে, আমি নিশ্চিতভাবেই অনেককিছু মিস করে গেছি।

ফুটবলের নেশায় বুঁদ হয়ে, টিফিনের টাকা জমিয়ে ফুটবল কিনে খেলার জন্য মাঠে চলে যেতাম নিয়মিত খেলাধুলা করতাম। আজকের প্রজন্ম, আমাদের সন্তানেরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত,তাদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে।। সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদেরকে আধুনিক পৃথিবীতে তাল-মিলিয়ে চলতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি অযোগ্য, দুর্নীতি- বাজ, রাজনৈতিক পরিচয়ের অসৎ ব্যক্তিদের বিভিন্ন ফেডারেশনে দীর্ঘ সময় টিকিয়ে রেখে দেশের ক্রীড়াঙ্গন’কে আন্তর্জাতিক ভাবে সাফল্যহীন করে তুলেছেন। আশেপাশের দেশগুলো থেকে সামগ্রিক খেলাধূলায় আমরা পিছিয়ে পরেছি। জনপ্রিয়তা হারিয়ে ধীরে ধীরে আমাদের জনপ্রিয় খেলাগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে। আমাদের সন্তানেরা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের আইডল আইকন, হিরোদের খুঁজে পায় না।

তাই তারা মাঠে যায় না অনুকরণীয় অনুসরণীয় কাউকে খুঁজে পায় না তারা বেশির ভাগ এখন আর খেলাধুলায় আগ্রহী না। রোগ প্রতিরোধ কিংবা শারীরিক সক্ষমতায় আমাদের সময় থেকে পিছিয়ে পড়েছে পৃথিবীর মানুষের জন্য শিক্ষা যতটা গুরুত্বপূর্ণ খেলাধুলা ও ততটা গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে তাদের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে ফুটবল, হকি সহ দেশের জনপ্রিয় খেলাগুলোর জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে দিতে, নতুন প্রজন্মকে মাঠ মূখি করে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাই।

পাশাপাশি প্রতিটি ফেডারেশনের ভোটারদের তাদের সন্তানদের এবং আমাদের সন্তানদের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে, নিজেদের আর্থিক ক্ষুদ্র সার্থ পরিহার করে, দেশ ও জাতির বৃহত্তর সার্থে,ফেডারেশন গুলোতে সৎ অভিজ্ঞ নিষ্ঠাবান কর্মোঠ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার আহবান জানাই।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন