মঙ্গলবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, বিকাল ৪:৫৮
সর্বশেষ :
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ব্রিজ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার ময়মনসিংহে জিনের বাদশা দলের প্রধান গ্রেফতার ফরিদনগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বি.এম কলেজের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে র‌্যালী-আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস পালন শুরু রায়গঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষক আটক রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী এখনো ‘করোনা ভাইরাস’র সতর্কতা জারি হয়নি মোংলা বন্দরে
সংবাদ শিরোনামঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ব্রিজ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার ময়মনসিংহে জিনের বাদশা দলের প্রধান গ্রেফতার ফরিদনগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বি.এম কলেজের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে র‌্যালী-আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস পালন শুরু রায়গঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষক আটক রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী রায়গঞ্জে কর্মচারীদের গ্রেড পদবী পরিবর্তন ও উন্নীত করণের দাবিতে কর্ম বিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচী এখনো ‘করোনা ভাইরাস’র সতর্কতা জারি হয়নি মোংলা বন্দরে
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ জানুয়ারি, ৯, ২০২০, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
  • 42 বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

২০১৯ সালে সিরাজগঞ্জ জেলায় মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ৬২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় মোট ১১০ জনের প্রাণহানি ও আহত হয়েছেন প্রায় দুই শতাধিক মানুষ।

২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পরিমাণ বেড়েছে। ওভারটেকিং, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, চালকের অদক্ষতা, ঘুমের ঘোরে গাড়ি চালানো, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করা এবং বেহাল সড়ককে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে দাবি করছে পুলিশ ও পরিবহন শ্রমিকরা।

২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিল ৮৫ জন। আর ২০১৯ সালে প্রাণহানির পরিমাণ ২৫ জন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০ জনে।

জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ-হাটিকুমরুল, হাটিকুমরুল-বগুড়া, বগুড়া-নগরবাড়ি ও নাটোর-বনপাড়া এ চারটি মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ১২৬ কিলোমিটার। এসব মহাসড়কে গত বছর ৪৬টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮১ জন।

এছাড়াও কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ সদর, কামারখন্দ, বেলকুচি উপজেলার আঞ্চলিক সড়কগুলোতে বাস, ট্রাক, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল মিলে ২৬টি দুর্ঘটনায় মারা যায় আরও ২৯ জন। আর এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ। তবে স্বজনরা মামলা এড়াতে লাশ নিয়ে যাবার কারণে কিছু দুর্ঘটনার তথ্য থানায় রেকর্ডভুক্ত হয়নি। যে কারণে উল্লেখিত হিসাবের চেয়ে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হলেও তা জানাতে পারেনি পুলিশ।

এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, গত বছর হাটিকুমরুল-বগুড়া, বগুড়া-নগরবাড়ি, নাটোর-বনপাড়া ও হাটিকুমরুল-ঢাকা মহাসড়কের নলকা পর্যন্ত এ চারটি মহাসড়কে ২৯টি দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছে। আর মামলা হয়েছে ২৯টি। এর বাইরে আরও কিছু দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে স্বজনরা মামলা এড়াতে লাশ নিয়ে যাবার কারণে কিছু তথ্য থানায় রেকর্ডভুক্ত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে যত্রতত্র ওভারটেক, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় বা হেলপারকে দিয়ে ড্রাইভিং করানোর কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ছে। এছাড়াও বেহাল রাস্তাঘাট ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত যানবাহন মহাসড়কে চলাচল করাও দুর্ঘটনার কারণ।

আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১২ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ওসি সৈয়দ শহিদ আলম জানান, গত বছর বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম ও হাটিকুমরুল সংযোগ সড়কের নলকা পর্যন্ত মহাসড়কে ১৬টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়।

দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে অপরিকল্পিত সড়ক ও মহাসড়ক নির্মাণকে দায়ী করে সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাজী আনছার আলী জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সড়কে বেশ কিছু বাক রয়েছে, যার একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত দেখা যায় না। যা দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ।

তিনি আরও বলেন, চালকরাও ওভার স্পিডে গাড়ি চালায়। আবার কখনো কখনো ঘুমের ঘোরে তারা গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আঞ্চলিক সড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা।

এ দিকে, সড়ক-মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন হলেও সেটি নিয়ে মন্ত্রণালয় এবং মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনা-পর্যালোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। যে কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ সবক্ষেত্রে এখনও নতুন আইনের প্রয়োগ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সৈয়দ মিলাদুল হুদা জানান, মহাসড়কে অবৈধ থ্রি হুইলার চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। নতুন সড়ক আইনের কিছু নতুন ধারা যুক্ত হয়েছে। কিন্তু সেগুলো প্রয়োগে এখনও চূড়ান্ত নির্দেশনা আসেনি। নতুন আইনের চূড়ান্ত নির্দেশনা আসলেই সেটি প্রয়োগের মাধ্যমে সড়ক-মহাসড়কগুলো নিরাপদ রাখার চেষ্টা করা হবে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন