রবিবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, দুপুর ২:৩৫
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ সেপ্টেম্বর, ২৯, ২০১৯, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
  • 43 বার দেখা হয়েছে

নাজমুল ইসলাম :
সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন সিরাজগঞ্জের ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। তিনি টুর্নামেন্টে সর্বচ্চ দুটি গোল করেছেন। প্রথম খেলায় শ্রীলংকা ও সেমিফাইনালে ভুটানের সাথে দারুণ খেলা উপহার দিয়ে গোল করে দলকে ফাইনালে নিয়ে যায়।

অনূর্ধ্ব- ১৮ সাফ ফুটবলের শিরোপার লড়াইয়ে কাঠমান্ডুর আর্মড পুলিশ ফোর্স মাঠে ফুটবল উত্তেজনার সব রসদই জমা ছিল। রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ। কিন্তু ম্যাচটা বাংলাদেশ হেরে গেছে ২-১ গোলে।

গোল, পাল্টা গোলে সমতা, তিন-তিনটি লাল কার্ড, প্রথমার্ধের শেষের থেকে বাংলাদেশের নয়জনের দল হয়ে যাওয়া—একটি ফুটবল ম্যাচে এর বেশি নাটকীয়তা আর হতে পারত না।

দক্ষিণ এশিয়ার সেরা যুব ফুটবলার কারা ? এই প্রশ্নের নিষ্পত্তির জন্য যেমন লড়াই দেখার ইচ্ছে নিয়েই খেলা দেখতে বসেছিল সমর্থকেরা । এর সবই ম্যাচটাতে পাওয়ার কথা। ৯০ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচটি ছিল ১-১ গোলে ড্র। ৯১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত গোলে ফাইনালের মীমাংসা করে দিয়েছেন রবি বাহাদুর ।

ম্যাচে ২ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ২১ মিনিটে একটা ফাউলকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মৃদু হাতাহাতিই লেগে যায়। লালকার্ড দেখানো হয় দুই দলের দুজনকে। বাংলাদেশের ইয়াসিন আরাফাত দেখেন হলুদ কার্ড। কিন্তু ৩৯ মিনিটে সেই ইয়াসিনের গোলেই বাংলাদেশ সমতায় ফিরলেও জার্সি খুলে উদ্‌যাপন করতে গিয়ে লাল কার্ড দেখেন তিনি। বাকিটা সময় ৯ জন খেলোয়াড় নিয়ে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্ন ভঙ্গ হলো ফাহিম , মারাজ, শান্তদের।

শুরুতেই ছিল বাংলাদেশের ভুল। কিক অফের ২ মিনিটে বাংলাদেশের দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বল নিয়ে বক্সেও মধ্যে ঢুকে পড়ে গোল করেন বিক্রম প্রতাপ সিং। ২১ মিনিটে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়ায় দুই খেলোয়াড়রা। ভারতের বিক্রমকে ফাউল করেন ফাহিম মোরশেদ। এই ফাইল নিয়ে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। তাকে গুরকিরাত সিং এসে ধাক্কা মারেন ইয়াসিন আরাফাতকে। মারামারিতে জড়ানোয় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ভারতের গুরকিরাত সিং। আর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড থেকে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হৃদয়।

৩৯ মিনিটে সমতাসূচক গোলটি ছিল দুর্দান্ত। ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের কর্নারে আমির হাকিম বাপ্পির ব্যাক ভলিতে দৌড়ে এসে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন অধিনায়ক ইয়াসিন। তবে আনন্দের আতিশয্য জার্সি খুলতে উদ্যত হয়েই ভুলটা করেন তিনি। জার্সি পুরোপুরি না খুললেও যতটুকু খুলেছিলেন দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের জন্য সেটিই ছিল যথেষ্ট।

দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় এক ভারতের ১০ জনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৯ জন। কিন্তু লড়াই দেখে কখনোই মনে হয়নি একজন খেলোয়াড় কম নিয়ে শিরোপার লড়াই করছেন ফাহিম , মারাজরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হার মানতেই হয়। এই হারে টানা দ্বিতীয়বারের মতো রানার্সআপ বাংলাদেশ।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন