1. admin@thepeoplesnews24.com : admin :
  2. shohel.jugantor@gmail.com : alamin hosen : alamin hosen
বর্ষায় পানি বাড়ার সাথে খানসামা উপজেলায় বেড়েছে মাছ ধরার উপকরণ বিক্রি - Thepeoples News 24
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নাটোরের সিংড়ায় বিদ্যুৎ-তেল ছাড়াই সেচপাম্প তৈরী করা দেখতে উৎসুক জনতার ভীড় কাজিপুরে উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জনসচেতনতা তৈরিতে ডিসি ইউএনওদের নির্দেশ দক্ষিণাঞ্চলে বইছে নব জাগরণের ঢেউ পদ্মা সেতুর জন্য সরকারের দেওয়া ঋণ শোধ হবে ৩৫ বছরে পদ্মা সেতুতে নিরাপত্তা জোরদার, জলেস্থলে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে: প্রধানমন্ত্রী নাটোরে বসুন্ধরা গ্রুপের কিং র্ব্যান্ড সিমেন্টের হালখাতা অনুষ্ঠিত নতুন সব ব্র্যান্ডের সাথে এবারে শপিংয়ের মজা আরো জমবে দারাজে সেরা ব্র্যান্ড, দূর্দান্ত প্রোডাক্ট আর আকর্ষণীয় ডিস্কাউন্ট নিয়ে উপভোগ করুন কেনাকাটার সেরা অভিজ্ঞতা! ইসিকে বাংলাদেশ ন্যাপ : ইভিএম’র উপর জনগণের কোন আস্থা নাই

বর্ষায় পানি বাড়ার সাথে খানসামা উপজেলায় বেড়েছে মাছ ধরার উপকরণ বিক্রি

এস.এম.রকি,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ জুন, ২০২২
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়ার সাথে সাথে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় মাছ ধরার উপকরণ বিক্রি বেড়েছে। এ সময় দেশীয় বাঁশ-বেত দিয়ে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরির কারিগররা এবং বাড়ির মহিলারা অবসরে এসব উপকরণ তৈরী করে আয় করছে বাড়তি অর্থ। এলাকা ভিক্তিক এসব দেশীয় উপকরণের নাম- ভোরং,পলাই,ঢাংগি, ডাড়কি টইয়া, ডিড়ই, বানা, হেঙ্গা ও খোলসুন ইত্যাদি। পেশাদার ও মৌসুমী জেলেরা এসব দিয়ে মাছ ধরে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজার বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নদী,নালা ও পুকুর-ডোবার মাছ ভেসে গেছে। এসব মাছ ছড়িয়ে পড়েছে জমিতে। এ সুযোগে লোকজন মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছে। পানির মধ্যে মাছ ধরার জন্য এসব ফাঁদ রেখে দেওয়া হয়।

বর্ষা মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে বাঁশের তৈরি ভোরং নামের একটি যন্ত্র। এলাকা ভেদে এই যন্ত্রটিকে খোলসুন বলা হয়। আর বই-পুস্তকের ভাষায় বিটে বলা হয়। পানির মধ্যে এই যন্ত্রটি রেখে দেওয়া হয়। চলাচলের সময় ছোট ছোট মাছগুলো বাঁশের তৈরি এই ফাঁদের ভিতরে আটকা পড়ে। এটি গ্রামাঞ্চলের মাছ ধরার জনপ্রিয় একটি মাধ্যম।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার প্রধান হাট পাকেরহাটে দেখা যায়, মাছ ধরার কয়েক প্রকার এসব উপকরণ নিয়ে বসে আছে কারিগরেরা। পেশাদার ও সৌখিন মাছ শিকারীদের আনাগোনায় জমে উঠেছে এই বাজার। একেকটি উপকরণের দাম প্রকারভেদে প্রায় ৩শত টাকা থেকে প্রায় ৩হাজার।

উপকরণ কিনতে আসা ছাতিয়ানগড় গ্রামের মশিউর রহমান বলেন, ‘ আমাদের গ্রামের আশপাশের আবাদি জমি ও ছোট ছোট ডোবা নালা বর্ষার পানিতে ভরে গেছে। আর সেখানে দেখা মিলছে বিভিন্ন জাতের দেশি মাছ। আমি বর্ষাকাল শুরু হলেই মাছ ধরি, এটা আমার নেশা। তাই মাছ ধরার জন্য ভোরং কিনতে এসেছি।

প্রায় ১০ বছর থেকে এই উপকরণ তৈরী ও বিক্রি করেন ভান্ডারদহ গ্রামের সুখচাঁদ। তিনি বলেন, ‘আগের মতো তো আর বাঁশের উপকরণের বিক্রি নাই। এখন মানুষ আধুনিক হয়ে গেছে, তারা প্লাস্টিকের জিনিসপাতি ব্যবহার করেন। কুলা, ঝাড়ু, খইচালা আর কেউ বেশি নেয় না। তবে বর্ষাকাল আসলে একটু বেশি মাছ ধরার উপকরণ বিক্রি হয়।’ একেকটি উপকরণ বিক্রি করে আকারভেদে একশ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ হয়। তবে আগের চেয়ে এসবে লাভ কমে গেছে শুধু বাপ-দাদার জন্য অনেকেই এখন এসব উপকরণ তৈরী ও বিক্রি করে।

এই পোস্ট টি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
©২০১৫-২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized BY Limon Kabir