সিলেটে কিশোরের ফুসফুস থেকে বের হলো বোর্ডপিন

১১ মার্চ, ২০১৯   |   thepeoplesnews24

সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

কাটাছেঁড়া ছাড়াই এক কিশোরের ফুসফুস থেকে বোর্ডপিন বের করে সাফল্য দেখিয়েছেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। পিন বের করে আনার পর সুস্থ আছেন আলী আহমদ (১৫) নামের সেই কিশোর।

 

রোববার (১০ মার্চ) ব্রঙ্কোসকপির মাধ্যমে পিনটি বের করেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। আলী আহমদ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার রায়পুরের হামদু মিয়ার ছেলে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রায় ৬ মাস আগে দাঁত পরিষ্কার করতে গিয়ে অসতর্কতাবশত পিনটি আলীর গলার ভেতরে ঢুকে যায়। এরপর পিনটি খাদ্যনালীতে না গেঁথে কণ্ঠনালী পার হয়ে ফুসফুসের ডান দিকে (Right middle lobar bronchus) গিয়ে আটকে যায়।
 
আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকায় বোর্ডপিনটি বের করে আনতে অস্ত্রপচার করাতে পারছিল না আলীর পরিবার। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করছিল তার দেহের অবস্থা। সপ্তাহখানেক আগে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয় আলী।
 
এরপর তার অস্ত্রপচারের জন্য বোর্ড বসান চিকিৎসকরা। ইএনটি (নাক, কান, গলা) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নুরুল হুদা নাঈমের নেতৃত্বে অস্ত্রপচারটি সম্পন্ন করেন চিকিৎসকরা। অস্ত্রপচারে ইএনটি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী ও ডা. মঞ্জুরুল হাসান মঞ্জু এবং অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. পলাশ দে, ডা. সর্বানী ও ডা. রামানুজ অংশ নেন। কোনো ধরনের কাটাছেঁড়া ছাড়াই অপারেশন ব্রঙ্কোসকপির মাধ্যমে ফুসফুস থেকে বোর্ডপিনটি বের আনা হয়।
 
এ ব্যাপারে হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী বলেন, ব্রঙ্কোসকপি করার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ওসমানীতে নেই। তবে ডা. নুরুল হুদা নাঈম তাঁর নিজস্ব আধুনিক যন্ত্রপাতি এনে  আলী আহমদের ব্রঙ্কোসকপি করেন।

তিনি বলেন, অস্ত্রোপচারটি খুবই কঠিন ছিল। তারপরও আলীকে অ্যানেস্থেশিয়ার মাধ্যমে অজ্ঞান করে কোনো ধরনের কাটাছেঁড়া ছাড়াই ব্রঙ্কোসকপির মাধ্যমে ফুসফুস থেকে বোর্ডপিনটি বের করে আনা গেছে। বর্তমানে আলী সুস্থ আছেন। 

সোমবার (১১ মার্চ) তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে।






নামাজের সময়সূচি

রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৯
ফজর ৪:২৬
জোহর ১১:৫৬
আসর ৪:৪১
মাগরিব ৬:০৯
ইশা ৭:২০
সূর্যাস্ত : ৬:০৯সূর্যোদয় : ৫:৪৩