ভোটে উইনেবল বনাম সুইটেবল

৩০ নভেম্বর, ২০১৮   |   thepeoplesnews24

সংগৃহীত ছবি

প্রণব সাহা:

ভোটের আওয়াজ দরজায় কড়া নাড়ে। যারা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন,তারা ২ ডিসম্বর পর্যন্ত চিন্তায় আছেন, দলের মনোনয়ন ঠিক থাকবে তো! এবার জোটের পিঠাভাগের খপ্পড়ে পড়েছে দলের মনোনয়ন। ৩০০ আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশী আসনে একক প্রাথী দিয়েছে হাতপাখা মার্কার বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। এমনকি আওয়ামীলীগ ও বিএনপিও তা পারেনি।

এতদিন সবাই মেতেছিল প্রার্থী নিয়ে,প্রার্থীরা দৌড়ে ছিল দলের মনোনয়ন নিয়ে। কারন নিজের যোগ্যতার চেয়ে দলের মার্কা বেশি জরুরি। যদি আওয়ামী লাীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথা আপনি ‘উইনেবল ক্যান্ডিডেট’ হন তাহলে এত দৌড় ঝাপ কেন? কিন্তু কথা আছে সেখানেও। তা না হলে আওয়ামীলীগের কাছে আবেদন করে শেষ মুহুর্তে কেন গনফোরামে যোগ দিলেন বঙ্গবন্ধুর কর্মী আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভার সাবেক সহকর্মী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। পাবনার সাথিয়ার আসনে কি আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ‘উইনেবল ক্যান্ডিডেট’? গাইবান্ধা সদরে আব্দুল আহাদসহ দুজনকে চিঠি দিল বিএনপি। নিজ দলের নমিনেশন না বিএনপিতে যোগ তৃতীয় জন হিসেবে বিএনপির চিঠি নিল জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি প্রেসিডিয়াম মেম্বার আব্দুর রশীদ সরকার। বিএনপির কাছে তিনিই কি ‘উইনেবল ক্যান্ডিডেট’?

১৪ আসনে দুজন করে প্রার্থীকে মনোনয়নের চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লাগ। দল ক্ষমতায় ১০ বছর, হামলা,মামলা,গায়েবী কোন কিছু ক্ষমতাসীনদের গায়ে আচর কাটে না, সরকার তাই গোয়েন্দাদের সাহায্য নিতে পারেন তারপরেও মনোনয়ন দল দিতে এত ঘাম ঝড়ছে? আর যে বাঘা সিদ্দিকী তারও পায়ের নীচে মাটি নরম। ঋনখেলাপীর ঘুনে খেয়েছে প্রার্থী হওয়ার নিশ্চয়তাকে। তাই নিজের সাথের মেয়ের নমিনেশনও জমা পড়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে। কে তবে উইনেবল ক্যান্ডিডেট?

কোনদিন নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত প্রতিবারই জন জিতেছেন একাধিক আসনে,এবার নাকি দুনর্নীতিট দন্ড খেয়ে প্রার্থী হতে পারছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনিও তাইলে উইনেবল নন। আর দল দল তে চাইলো মনোনয়ন,নিজেই নিজেকে উইনেবল মনে করলেন না সাবেক আওয়ামী লীগ বর্তমান বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।  অবশ্য ঢাকার সিটি করপোরেশনে তার মনোয়নপত্র বাতিল হয়েছি ‘ভুলের’ কারণে। আসলে তিনি ‘ক্যান্ডিবল’ না। নিজের চাওয়ামত আসন পাননি বলে প্রার্থী হলেন না বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি কি ‘সিটএবল’ না। আর যিনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করে আওয়ামী বিরোধী শিবিরের অভিভাবক হলেন, সেই ড. কামাল হোসেনও ‘ক্যান্ডিবল’ না।প্রতিদিন ওয়াজ করেন রিজভী, তিনিও ক্যান্ডিবল না। আর পাঁচ বছর সাংসদ থেকে,দলে প্রমোশন পেয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েও উইনেবল ক্যান্ডিডেট হতে পারলেন জাহাঙ্গীর কবীর নানক আর আব্দুর রহমান। একই অবস্থা দুই সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাসিম আর বি এম মোজাম্মেলের। তারা নাকি বেশি ‘সুইটেবল’ নির্বাচন পরিচালনায়।






নামাজের সময়সূচি

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯
ফজর ৪:২৬
জোহর ১১:৫৬
আসর ৪:৪১
মাগরিব ৬:০৯
ইশা ৭:২০
সূর্যাস্ত : ৬:০৯সূর্যোদয় : ৫:৪৩