ঈদের ছুটিতে পর্যটনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়

২৬ আগস্ট, ২০১৮   |   thepeoplesnews24

সংগৃহীত ছবি

অনলাইন ডেস্ক:

দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা আর একঘেয়েমি কাটাতে ঈদের ছুটিতে দূরে অথবা কাছে কোথাও ভ্রমণ বর্তমানে একটি নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের চাপে যখন দম ফেলার ফুরসত নেই তখন ঈদের ছুটি শুধু নগরবাসী নয় পুরো দেশবাসীর জন্য নিজেদের জন্য একটু সময় বের করার সুযোগ করে দেয়। তাই এসময় দেশের পর্যটন কেন্দ্র সহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো থাকে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর।

দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী কক্সবাজার। ঈদে অবকাশ যাপনের জন্য বেশির ভাগ মানুষ বেছে নেয় পৃথিবীর এই দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতকে। এই সৈকত যেন ভ্রমণ পিপাসু বাঙালিকে বারবার ডেকে আনে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে উপভোগ করার জন্য। পর্যটকদের সুবিধার জন্য এই শহরে গড়ে উঠেছে প্রায় চার শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস। এসব হোটেলে দৈনিক প্রায় এক লাখ পর্যটকের রাত যাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে আগেই বুকিং হয়ে যায় বিভিন্ন হোটেল, মোটেল ও গেস্ট হাউসের রুমগুলো। পর্যটকদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেজন্য হোটেল কর্তৃপক্ষের থাকে সজাগ দৃষ্টি। শুধু তাই নয়, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্যও তৎপর থাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পর্যটকদের সমুদ্রে নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি ৩টি বেসরকারি লাইফ গার্ড সংস্থার অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োজিত আছে।

শুধু কক্সবাজার নয় দেশের অন্যান্য পর্যটন নগরীও থাকে এসময় পর্যটক মুখর। দেশের পাহাড়ি এলাকা চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়িও ভ্রমণ পিপাসুদের দখলে। নীল আকাশের বুকে হেলান দেয়া পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আকৃষ্ট করে পর্যটকদের। মাঝে মাঝে শুভ্র সাদা মেঘ আলতো করে ঢেকে দিয়ে যায়। পিছিয়ে থাকেনা চায়ের নগরী সিলেটও। সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় ভ্রমণ পিপাসু মানুষ। যারা দূরে যেতে পারেনা তাদের জন্য থাকে নগরীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র।

ঈদের এই অবকাশ যাপনে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে গোটা দেশ। দেশের কোথাও যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদ অবকাশ উদযাপন করতে পারে এজন্য তৎপর আছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঈদের ছুটি কাটিয়ে নিরাপদে সবাই নিজ বাসস্থান ও কর্মক্ষেত্রে যোগ দিতে সক্ষম হবে।