২০১৩ সালেই বিশ্বের তিনটি শীর্ষ সন্ত্রাসী সংগঠনের একটি ছিলো ছাত্র শিবির

১৯ আগস্ট, ২০১৮   |   thepeoplesnews24

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক: 

২০১৩ সালে বিশ্বের সহিংস ও তৎপর সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর প্রথম তিনটির একটি হিসেবে চিহ্নিত হয় বাংলাদেশের ইসলামী ছাত্র শিবির। তৎকালীন সময়ে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের নাম উঠে আসে শীর্ষ দশ সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায়। এতে আফগানিস্তানের তালিবানের পরপরই স্থান করে নেয় ছাত্র শিবির।

বিশ্বখ্যাত নিরাপত্তা বিষয়ক থিঙ্কট্যাংক আইএইচএস জেনস গ্লোবাল টেরোরিজম অ্যান্ড ইনসারজেন্সি অ্যাটাক ইনডেক্স-২০১৩ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বিশ্বে সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক থিংকট্যাংক হিসেবে আইএইচএস জেনস একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। আইএইচএস জেনসের ‘টপ ১০ মোস্ট অ্যাকটিভ নন স্টেট আর্মড গ্রুপস ইন ২০১৩’ এর তালিকার প্রথমে ছিলো থাইল্যান্ডের বারিসান রেভুলুসি ন্যাশনালের নাম। দ্বিতীয় অবস্থানে আফগানিস্তানের তালিবান এবং তৃতীয় বাংলাদেশের ইসলামী ছাত্র শিবির।

শীর্ষ দশ তালিকায় অন্য সন্ত্রাসী দলগুলো হচ্ছে ভারতের মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া, ইরাকের আল কায়েদা, সোমালিয়ার আল শাবাব, কলম্বিয়ার ফার্ক, ফিলিপিন্সের নিউ পিপলস আর্মি, সিরিয়ার জাবাত আল নুসরা এবং নেপালের ইউনিফাইড কমিউনিস্ট পার্টি।

২০১৩ সালে সারা বিশ্বে সংঘটিত জঙ্গি ও অ-জঙ্গি সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী ঘটনা ও সহিংসতার পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে এ তালিকা প্রণয়ন করে জেনস। শিবিরের প্রসঙ্গে রিপোর্টে বলা হয়- মূলতঃ বাংলাদেশে ২০১৩ সাল জুড়েই ছিলো শিবিরের তাণ্ডব। ৭১ এ যুদ্ধাপরাধের সঙ্গেও ছিলো এই শিবিরের সম্পর্ক। সেসময় সংগঠনটি ছাত্রসংঘ নামে স্বাধীনতাকামীদের বিরুদ্ধে হানাদার বাহিনীর দোসর হয়ে নারকীয় তাণ্ডব চালায়। দেশের স্বাধীনতা বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন হিসেবে পরে ইসলামী ছাত্র-শিবির নাম নিয়ে এই দলটি বাংলাদেশ জুড়ে সহিংসতার রাজনীতি ছড়িয়েছে। ২০১৩ সালের গোড়ার দিকে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের যুদ্ধাপরাধ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হওয়ার পর থেকেই সহিংস রূপ দেখাতে শুরু করে শিবির।